
আটলান্টা : বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে টমাস টুচেলের অতিরিক্ত ডিফেন্সিভ মনোভাব শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হার ডেকে আনল বলে মনে করছেন অনেকেই। ম্যাচের শেষার্ধে যেভাবে একের পর এক ডিফেন্ডার নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইংল্যান্ড কোচ, তা ব্যুমেরাং হয়ে যায় ইংল্যান্ডের কাছে। ফলে, ৮০ মিনিট অবধি এগিয়ে থেকেও ১-২ ফলে হারতে হয় বেলিংহ্যাম, বুকায়ো সাকাদের। তাই এই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর চেলসির ইউসিএল জয়ী কোচকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।
১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পর আর কোনও বড় আন্তর্জাতিক ট্রফি জেতেনি ইংল্যান্ডের পুরুষ দল। সেই অপেক্ষা আরও বাড়ল তাদের। বুধবার আটলান্টাতে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনাল ম্যাচে অ্যান্টনি গর্ডনের গোলে ইংল্যান্ড এগিয়ে গেলেও শেষ অবধি আর্জেন্টিনার কাছে ১-২ গোলে পরাজিত হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। ফলে ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবেন মেসিরা।
ESPN এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপের আগেই টুচেলের চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৮ সাল পর্যন্ত করা হয়েছিল। সেই চুক্তি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটিশ ফুটবল বোর্ড। সংস্থার বিশ্বাস, বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও টুচেলই আগামী ইউরো পর্যন্ত দলের দায়িত্বে থাকবেন। ইংল্যান্ড-এর বিদায়ের পর এফএর সিইও মার্ক বুলিংহ্যাম বলেছেন,“ফাইনালের এত কাছে এসেও বিদায় নেওয়াটা হৃদয়বিদারক। সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাই। তবে আরও এগোতে না পারে আমরা হতাশ।”
ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও মুখ খোলেন কোচ টুচেল। তিনি বলেন,“আমার চুক্তি ২০২৮ সালের ইউরো অবধি। আপাতত, এই হারের কষ্ট কাটানো কঠিন, কিন্তু আমাদের ভবিষ্যতের দিকে এগোতে হবে।” তবে ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপের পর আবার যে ইংল্যান্ডের অপেক্ষা বাড়ল, তা বলাই বাহুল্য।