
আমেরিকা : ফুটবল বিশ্বকাপ (Fifa World Cup 2026) শুরু হওয়ার পর থেকেই ছোট দলগুলি এমনভাবে নিজেদের প্রমান করে চলেছে, যে বার বার বিশ্বের প্রভাবশালী দলগুলির উপর চাপ বাড়ছেই। আজ সেটাই আবার প্রমান করল ডি আর কঙ্গো (DR Congo)। পর্তুগালকে (Portugal) আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে প্রথমেই সবাইকে চমকে দিয়েছিল কঙ্গো। কিন্তু, ইংল্যান্ডকেও (England) যে এভাবে তারা এতটা বেগ দেবে, কে ভেবেছিল? প্রায় ৭৫ মিনিট অবধি ১-০ এগিয়ে ছিল কঙ্গো। কিন্তু, বশ মানল হ্যারি কেনের (Harry Kane) কাছে। ব্যক্তিগত দক্ষতায় শেষ ১৫ মিনিটে তাঁর বদান্যতায় দুরন্ত কামব্যাক করল ইংল্যান্ড। ফলে, ভাল খেলেও বিদায় নিতে হল এই বিশ্বকাপের অন্যতম চমকপ্রদ দলকে।
ম্যাচের ৭ মিনিটেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে যায় কঙ্গো। অবশ্য, এর জন্য দায়ী অবশ্যই ইংল্যান্ডের ডিফেন্স। নিজেদের ভুলেই গোল খেল তারা। এরপর থেকেই ম্যাচে প্রবলভাবে ফেরার চেষ্টা করেন বেলিংহ্যাম, রাশফোর্ডরা। কিন্তু বারবার তাঁরা আটকে যান কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসির কাছে। ৪১ মিনিটের মাথায় কঙ্গোর একটি শট পোস্টে লাগে, নাহলে তখনই ২-০ এগিয়ে যেত ভ্যান বিসাকারা।
এরপর থেকেই প্রায় ‘গড মোড’-এ চলে যান এমপাসি। একের পর এক দুরন্ত সেভ করতে থাকেন তিনি। কিন্তু, ওই যে ভাগ্য! ৭৫ মিনিটের মাথায় অ্যান্থনি গর্ডনের ক্রস থেকে হেডে গোল করে সমতা ফেরান হ্যারি কেন। এরপর আবার সেই গর্ডন-কেন জুটির বাজিমাত। ৮৬ মিনিটের মাথায় গর্ডনের পাস থেকেই জোরালো শটে গোল করে যান কেন। এই নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে ৫ গোল হয়ে গেল কেনের। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ডি-বক্সের বাইরে কঙ্গো ফ্রি-কিক পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি উইসারা। ১-০ এগিয়ে থেকেও ২-১ হারে কঙ্গো।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথমবার পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড। এই ম্যাচে জয়ের ফলে তারা চলে গেল শেষ ১৬য়। ইংল্যান্ডের আগামী ম্যাচ ৬ জুলাই, মেক্সিকোর বিরুদ্ধে, ভোর ৫টা থেকে শুরু হবে। সেই ম্যাচ জিতলেই কোয়ার্টার ফাইনালে চলে যাবেন কেনরা।