
আমেরিকা : এই ম্যাচ শুরুর আগে অনেক কথা হয়েছিল। আদৌ, হ্যারি কেন-বেলিংহ্যামরা পারবেন তো ভয়াল ভয়ঙ্কর নরওয়েকে হারাতে? নাকি এভাবেই একের পর এক রূপকথা লিখে যাবেন হাল্যান্ডরা ? বাস্তবে দেখা গেল, এসব কিছুই হল না। জ্যুড বেলিংহ্যামের দাপটে বিশ্বকাপের শেষ চারে ইংল্যান্ড। জোড়া গোল করলেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল গোলের চেষ্টা করছিল কিন্তু গোল আসেনি। এল ৩০ মিনিটের মাথায়। আন্দ্রেয়াস শেলড্রুপের ক্রস বাঁক খেয়ে ঢুকে যায় গোলে। ১-০ এগিয়ে যায় নরওয়ে। তবে এরপরেও একের পর এক আক্রমণ করতেই থাকেন হাল্যান্ডরা তবে ইংল্যান্ডের রক্ষণ বারবার যাবতীয় আক্রমণ প্রতিহত করতে থাকে। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে গর্ডনের পাস থেকে বল জালে জড়ান বেলিংহ্যাম। তবে এরপর আক্রমণ হলেও আর গোল আসেনি দুই পক্ষের।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল করেছিল নরওয়ে। কিন্তু ভার দেখে গোল বাতিল করা হয়। কর্নারের আগে নরওয়ে ফাউল করেছিল। তাই গোল দিলেন না রেফারি। নির্ধারিত সময় অবধিও ফল ১-১ হওয়ার ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই আবার গোল পেলেন বেলিংহ্যাম। মর্গ্যান রজার্সের শট নিল্যান্ড প্রতিহত করলেও বল তাঁর হাতে আসেনি। ফিরতি আসা বলে পা লাগিয়ে গোল করে যান বেলিংহ্যাম। এর ফলে ৬ গোল করে গোল্ডেন বুটের লড়াইতে চলে এলেন তিনিও। এই জয়ের ফলে শেষ চারে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি ইংল্যান্ড। তবে চতুর্থবার শেষ চারে উঠলেও ১৯৬৬ সাল ছাড়া একবারও চ্যাম্পিয়ন হয়নি থ্রি লায়ন্সরা। এবার কি সেই অভিশাপ ভাঙবে? সেই দিকেই নজর থাকবে ক্রীড়াপ্রেমীদের।