
নয়াদিল্লি : ফের বিতর্কের কেন্দ্রে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। উয়েফার সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন এক মহিলা কর্মীকে ‘৬ অঙ্কের ডিপার্চার পেমেন্ট’ দেওয়া হয়েছিল। উয়েফার অভিযোগ, সেই অর্থ দেওয়ার কারণ, ওই মহিলার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন ইনফান্তিনো। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফিফা সভাপতি।
ব্রিটিশ মিডিয়ার একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০০৯-২০১৬ অবধি উয়েফার সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন এক জুনিয়র মহিলা কর্মীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান ইনফান্তিনো। ওই কর্মীকে পরে বেশি বেতনের একটি ম্যানেজার পদে উন্নীত করা হয়। উয়েফা ছাড়ার সময় তাঁকে একটি বড় অঙ্কের অর্থও দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি, তাঁর এমবিএ কোর্সের খরচও নাকি উয়েফা বহন করেছিল বলে অভিযোগ। তবে ওই মহিলার নাম প্রকাশ করেনি উয়েফা।
অভিযোগের পর মুখ খুলেছেন ইনফান্তিনো। ব্যক্তিগত মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, এই অভিযোগ বিভ্রান্তমূলক, মানহানিকর। অন্যদিকে, উয়েফা ওই মহিলাকে অর্থ দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, চাকরি ছাড়ার সময় একদিকে যেমন মহিলাকে বড় অঙ্কের টাকা পেমেন্ট করা হয়েছিল, তেমনই স্থানীয় একটি বিজনেস স্কুলে তাঁর এমবিএ কোর্সের ফি-ও উয়েফা বহন করেছিল। যদিও ২০১৬ সালের পর থেকে এই নিয়ম বদলেছে উয়েফা।
বিশ্বকাপের কিছু অংশের বিক্রিকরণের পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পরেই ফিফার সঙ্গে সংঘাত শুরু হয় উয়েফার। এমনকি ফিফার পুরুষ ও মহিলাদের বিশ্বকাপও বয়কট করার হুমকি দিয়েছে তারা। ফিফা এই পরিকল্পনা বাতিল করলেও তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। এর পাশাপাশি কনমেবল, ফিফপ্রো, এএফসি – কেউ ইনফান্তিনোকে সমর্থন করছে না। তাঁর এত ট্রাম্প-প্রীতিও ভাল চোখে দেখছেন না এঁরা। ফলে, বিশ্বকাপের পরিয়ে প্রবল বিপাকে ফিফা প্রেসিডেন্ট।