
কলকাতা : আইএসএল বা ভারতের এক নম্বর ফুটবল লিগের ভবিষ্যৎ কী, জানা নেই তবে এশিয়ার প্রাচীনতম ও বিশ্বের তৃতীয় প্রাচীনতম ফুটবল লিগের নতুন সংস্করণের ঘোষণা করল ফেডারেশন ও ভারতীয় সেনাবাহিনী। ১৩৫তম ডুরান্ড কাপের এই সংস্করণে থাকছে মোট ২৪টি দল। ম্যাচ হবে মোট ৫টি শহরে। আগামী ২৫ জুলাই থেকে ২৩ অগাস্ট অবধি চলবে এই ফুটবল লিগ।
এবারের টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে মোট ৫ শহরে। কলকাতা, রাঁচি, গুয়াহাটি, ইম্ফল ও শিলং – এই ৫ শহরে খেলা হবে ডুরান্ডের। উল্লেখ্য, এই প্রথমবার রাঁচিতে ডুরান্ডের ম্যাচ হতে যাচ্ছে।
কলকাতা – সল্টলেক যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন, কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গন
রাঁচি – বিরসা মুন্ডা স্টেডিয়াম
গুয়াহাটি – ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক স্টেডিয়াম
ইম্ফল – খুমান লাম্পাক স্টেডিয়াম
শিলং – জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম
২০১৯ সাল থেকে ডুরান্ড যেন নবজন্ম লাভ করেছে। ১৬টি দলের টুর্নামেন্ট থেকে এটি এখন ২৪ দলের এক মহাযুদ্ধ। তিন সশস্ত্র বাহিনীর হয়ে ভারতীয় সেনার ইস্টার্ন কমান্ড এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে, যেখানে সেনা দলগুলোর সঙ্গে দেশের বিখ্যাত ক্লাবগুলির এক দুর্দান্ত লড়াই উপভোগ করেন দর্শকরা। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে প্রতিবেশী দেশের সেনা দলগুলিও এতে অংশগ্রহণ করছে। এশিয়ার এই প্রাচীনতম টুর্নামেন্টে এবার লড়বে মোট ২৪টি দল, যার মধ্যে থাকছে ২টি বিদেশী টিমও। ডুরান্ডের এই লড়াইতে খেতাব ধরে রাখার চাপ সামলে নামবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দল নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি। একই সঙ্গে থাকছে কলকাতার দুই প্রধান ক্লাব মোহনবাগান সুপারজায়েন্ট ও ইস্টবেঙ্গল এফসিও। খুব শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে অংশগ্রহণকারী দলগুলির নাম, গ্ৰুপ, ম্যাচ ফিক্সচার ও নকআউট সূচি। আগামী ২৩ অগাস্ট হতে চলেছে এর মেগা ফাইনাল। তবে, ভারতীয় ফুটবলের এই দুরাবস্থার মাঝে ডুরান্ডের এই নতুন সংস্করণ প্রমাণ করে, ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ আজও উজ্জ্বল।