
আমেরিকা : ট্রাম্প না হয় ‘বন্ধু’ (Donald Trump)। বাকিরাও কি তাই? নিশ্চয়ই নয়। তাই যে সিদ্ধান্ত আমেরিকার (America) বিরুদ্ধে বদলানো হয়, তা বাকিদের ক্ষেত্রে বদলাবে না। লাল কার্ড দেখানোর পরও আমেরিকার ফুটবলার বালোগান-এর (Folarin Balogun) সাসপেনশন তুলে নিয়েছিল ফিফা। কিন্তু, সেই একই রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে এবার ধাক্কা খেল ফ্রান্স (France Football Team)।
যেভাবে বালোগান লাল কার্ড খাবার পর ট্রাম্পের আবেদনে তাঁর সাসপেনশন তুলে দিয়েছিল ফিফা, ঠিক সেই পথেই ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসের হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করার জন্য আবেদন করেছিলেন দিদিয়ের দেশঁরা। তবে ফিফা ফ্রান্সের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে । এর ফলে আজ, বৃহস্পতিবার কোয়ার্টার ফাইনালে মরোক্কোর মুখোমুখি হওয়ার আগে চাপ বেড়েছে ফ্রান্সের।
বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ফরাসি দলের কোচ দিদিয়ের দেশঁ জানান, “ওলিসের হলুদ কার্ড নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত বদল হয়নি। ফিফা ফ্রান্সের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে। আজ সকালে ফিফা জানিয়েছে, ওলিসের হলুদ কার্ড বহাল থাকবে। তাই নিয়েই ওকে নামতে হবে।”
এর ফলেই সমস্যায় পড়েছে ফ্রান্স। যদি মরোক্কোর বিরুদ্ধে ওলিসে আর একটি হলুদ কার্ড দেখেন, তাহলে আর তিনি সম্ভাব্য সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না।
প্যারাগুয়ে বনাম ফ্রান্স ম্যাচে এই কার্ড দেখেন ওলিসে। তাঁর সঙ্গে প্যারাগুয়ের ফুটবলার ম্যাথিয়াস গালারজার ধাক্কা লাগে। গালারজার মুখে আঘাত করার অভিযোগে ওলিসেকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যায়, ওলিসে শুধু গালারজার জার্সি টেনে ধরেছিলেন। তাঁর মুখে আঘাত করেননি। এই কারণেই ফ্রান্স দাবি করেছিল, যদি আমেরিকার আবেদন ফিফা শুনতে পারে, তাহলে তাঁদের আবেদনও শোনা উচিত। কিন্তু ফিফা ওলিসের আবেদন খারিজ করে দিল।
বিশ্বকাপ ২০২৬-এ দারুন ফর্মে আছেন ওলিসে। ৫ খানা অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। তবে এই কারণেই আজ চাপ বাড়ল ওলিসেকে নিয়ে। যদি তিনি এই ম্যাচে একটি হলুদ কার্ড দেখেন, তাহলে আর শেষ চারের ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে না, যা একটি বড় ধাক্কা হতে চলেছে এমবাপেদের জন্য। তাই, হাকিমিদের বিরুদ্ধে নামার আগে একটু হলেও চাপে রইল ফরাসি ব্রিগেড।