
কানাডা : এই না হলে বিশ্বকাপ (Football World Cup 2026)? এই না হলে তারুণ্যের জয়? কানাডার (Canada) ভ্যাঙ্কুভারে তুরস্ককে (Turkey) ২-০ উড়িয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল অস্ট্রেলিয়া (Australia), যাদের ফুটবল দুনিয়া চেনে ‘সকারুজ’ (Socceroos) নামে। শরণার্থী শিবির থেকে উঠে আসা নেস্টোর ইরানকুন্ডা (Nestori Irankunda) ও কনর মেটক্যাফের (Connor Metcalfe) গোলে ইতিহাস রচনা করল সকারুজরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই রাশ নিজেদের দিকে টেনে নিয়েছিল তুরস্ক। তবে প্রথম থেকেই ডিফেন্সিভ খেলছিল অস্ট্রেলিয়া। ২৭ মিনিটে একক দক্ষতায় গোল করে দেশকে এগিয়ে দেন ইরানকুন্ডা। অস্ট্রেলিয়ার পল ওকোন ইংস্টলারের পাস থেকে বল পেয়ে তিনজন ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে গোল করেন তিনি। গোলের পর তিনি ছুটে গেলেন কর্নার পতাকার কাছে, যা মনে করায় অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি ফুটবলার টিম কাহিলকে। তবে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম গোলের পরের মিনিটেই সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল তুর্কি, যা কেড়ে নেন অজি গোলকিপার প্যাট্রিক বিচ। গোল হজম করার পর আরও আক্রমণ শুরু করে তুরস্ক। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডারদের দক্ষতায় গোল করতে ব্যর্থ হন কুকচুরা। দ্বিতীয়ার্ধে আর্দা গুলারের বিপজ্জনক ফ্রি-কিক আটকে দেন অজি কিপার বিচ। ৭৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ এগিয়ে দেন কনর। তারপর একাধিক চেষ্টা করলেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি তুরস্ক। ফলে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল আর্দা গুলারের তুরস্ক।
২০০৬ সালে তানজানিয়া প্রদেশের এক শরনার্থী শিবিরে জন্ম ইরানকুন্ডার। সেখান থেকে অ্যাডিলেড-পার্থে ফুটবল প্রশিক্ষন নিয়ে অবশেষে বায়ার্ন মিউনিখ, গ্রাসহুপার হয়ে বর্তমানে তিনি খেলেন ইংল্যান্ডের ওয়াটফোর্ড ক্লাবে। তবে টিম কাহিল, হ্যারি কিওয়েলের দেশ যে তারুণ্যে, উদ্যমে ভরা একরাশ ফুটবলার পেয়েছে, তাই সুখের খবর ক্রিকেটের এই জায়ান্ট দেশের জন্য।