
মেক্সিকো – ২ (কুইনোনেস, গিমেনেজ) : ইংল্যান্ড – ৩ (বেলিংহ্যাম ২, কেন)
মেক্সিকো : ম্যাচের আগেই মেক্সিকো বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচ ঘিরে যেন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি তৈরী হয়ে গিয়েছিল। ইংল্যান্ডের টিম হোটেলের সামনে রীতিমতো হল্লা করেছিলেন মেক্সিকোর সমর্থকরা, যাতে ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পান। কিন্তু, এসব মাঠের বাইরের কথা। ম্যাচে এসব কিছুই হল না। লাল কার্ড দেখা সত্ত্বেও ম্যাচ জিতেই মাঠ ছাড়লেন হ্যারি কেনরা। মেক্সিকোর অ্যাজটেক স্টেডিয়ামে মেক্সিকোকে ৩-২ হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে চলে গেল ইংল্যান্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই ভাল খেললেও গোল করতে পারেনি ইংল্যান্ড ও মেক্সিকো – দুই দলই। তবে ৩৬ ও ৩৮ মিনিটে জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন জ্যুড বেলিংহ্যাম। এরপরেই পাল্টা প্রত্যাঘ্যাত করে মেক্সিকো। জুলিয়ান কুইনোনেস সমতা ফিরিয়ে দেন মেক্সিকোর। ৫৪ মিনিটে ফাউল করে লাল কার্ড দেখলেন ইংল্যান্ডের জ্যারেল কুয়ান্সা। এর ঠিক ৬ মিনিটের মাথায় ইংল্যান্ডের উইঙ্গার অ্যান্টনি গর্ডনকে ফাউল করেন মেক্সিকোর গোলকিপার। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি হ্যারি কেন। এই নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে ৬ গোল হয়ে গেল কেনের। কেরিয়ারে ১৪ খানা বিশ্বকাপ গোল করলেন তিনি। ম্যাচ জিতে অবশেষে মুখ খুলেছেন তিনি। বলেছেন,“এই ম্যাচের আগে সবকিছু আমাদের বিপক্ষে ছিল। তবুও আমরা জিতেছি। একটি রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ খেলেছি। এমন অবস্থা হয়েছে যে আমি ঠিক করে কথা বলতে পারছি না। দুর্দান্ত এক সেলিব্রেশন করলাম আমরা।” যদিও কেনের ভুলেই পেনাল্টি থেকে ৩-২ করে মেক্সিকো। গোল করেন রাউল গিমেনেজ।
ঝড়বৃষ্টির কারণে এক ঘন্টা দেরিতে শুরু হয়েছিল আজকের ম্যাচ। ইংল্যান্ডের জয়ের ফলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ঘটে গেল আরও একটি আয়োজক দেশের। আজটেক স্টেডিয়ামে এর আগে মাত্র ২ বার হেরেছিল মেক্সিকো, জিতেছিল ৭০টি ম্যাচ। আজ সেই গর্বের পতন ঘটিয়ে শেষ আটে উঠলেন কেনরা। এবার শেষ আটে তাঁদের বিপক্ষে নামবে হাল্যান্ডের নরওয়ে।