
কলকাতা: কপালের ফের? তাই হবে। না হলে ‘রোনাল্ডো’ পুরস্কার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় লিওনেল মেসিকে (Lionel Messi)! আবার এও বলা যেতে পারে, অনেক দিন পর রাতে সুখের ঘুম নেমে এল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর চোখে! গত একটা মরসুম ম্যাচের পর ম্যাচ ‘মেসি’ পুরস্কার নিতে হয়েছে সিআর সেভেনকে। সৌদি লিগে তাঁকে দেখলেই বিপক্ষের গ্যালারি ‘মেসি-মেসি’ চিৎকার করেছে। ঠিক একই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হল এলএম টেনকেও। যা নিয়ে চর্চা চলছে বিশ্ব ফুটবলে।
চোট সারিয়ে সদ্য মাঠে ফিরেছেন মেসি। ইন্টার মায়ামির হয়ে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নশিপ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে নেমেছিলেন মন্টেরেরির বিরুদ্ধে । প্রথম লেগের ম্যাচে মেক্সিকোর টিমের কাছে হেরেছিল মায়ামি। ফিরতি ম্যাচে আরও বড় ব্যবধানে হার। মেসি ম্যাজিক দেখাই যায়নি। প্রতিপক্ষ টিম এতটাই আগ্রাসী ফুটবল খেলে যে, প্রবল চাপে পড়ে যায় মায়ামি। সেখান থেকে আর বেরোতেই পারেনি মেসির টিম। ৩১ মিনিটে ব্র্যান্ডন ভাসকুয়েস ১-০ এগিয়ে দেন মন্টেরেরিকে। ৫৮ ও ৬৪ মিনিটে অন্য দু’গোল জার্মান বার্তেরামে ও জেসাস গালার্দোর। এর কিছুক্ষণের মধ্যে আবার জর্দি আলবা লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যান। ৮৫ মিনিটে দিয়েগো গোমেস ১-৩ করেছিলেন। কিন্তু তা আর কাজে লাগেনি। সব মিলিয়ে ২-৫ হেরে ছিটকে গিয়েছে মায়ামি।
খেলায় হার-জিৎ থাকে, কিন্তু এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে মেসিকে, তা হয়তো ভাবেননি আর্জেন্টেনিয়ান কিংবদন্তি। মন্টেরেরি এগিয়ে যেতেই টিমের সমর্থকরা রোনাল্ডো-রোনাল্ডো চিৎকার করে যান। যা মেসির কাছে বেশ অপমানের বিষয়। সৌদি লিগে একই পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে রোনাল্ডোকে। মাঠে নামলেই তাঁকে মেসি-মেসি চিৎকার শুনতে হয়। সমর্থকদের আচরণে ক্ষুব্ধও হয়েছে সিআর সেভেন। ঝামেলাতেও জড়িয়ে পড়েছেন এ নিয়ে। মেসিকেও এ বার তাই দেখতে হচ্ছে। যতই গ্যালারি ধিক্কার দিক, রোনাল্ডো কিন্তু গোলের মধ্যে রয়েছেন। মন্টেরেরির সমর্থকরা রোনাল্ডোর নাম করে মেসিকে কার্যত ধিক্কারই দিয়েছেন।