
আটলান্টা : বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার সঙ্গে থেকেই যেন বিতর্ক পায়ে পায়ে চলছে আর্জেন্টিনার সঙ্গে। মেসিদের একের পর এক জয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়াতে ভেসে আসছে একের পর এক মন্তব্য। কেউ বলছেন,“ফিফা রিগড”, কারও আবার মত ,“আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতাতে বদ্ধপরিকর ফিফা”। বা কেউ বলছেন,“বিশ্বকাপটা পুরোটাই নাটক, আর্জেন্টিনাকে জেতানো হবে।” বিতর্কের সূত্রপাত আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে মেসির করা একটি স্ট্যাডস আপ ট্যাকল থেকে। এরপর মিশর বনাম আর্জেন্টিনার ম্যাচে ভিএআর-এর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সমালোচকদের দাবি, রেফারি আর্জেন্টিনার পক্ষ নিয়ে খেলিয়েছেন।
তবে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পর এই প্রথম মুখ খুলেছেন লিও মেসি। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, আর্জেন্টিনা নিজেদের যোগ্যতায় ফাইনালে উঠেছে, কেউ সাহায্য করেনি। মেসি বলেন, “কারও খারাপ লাগলে লাগুক। গত ৪ বছর ধরে আমরাই বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। কেউ সেটা মানুক বা না মানুক, বাস্তব বদলাবে না। আবারও আমরা বিশ্বের সেরা দুই দলের একটা। টানা দুবার বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা সহজ নয়। কেউ আমাদের কোনও সাহায্য করেনি। আমরা নিজেরা সেই কৃতিত্বের অধিকারী হয়েছি।”
আটলান্টায় প্রথমে অ্যান্টনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত কামব্যাক করেছেন মেসিরা। ম্যাচের পর সমালোচকদের উদ্দেশ্যে মেসি বলেন,“আমরা যদি ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যেতাম, অনেকে অনেক কথা বলত। কিন্তু আমরা সেই সুযোগ কাউকে দিইনি।” জয়ের পর তিনি স্মরণ করেছেন দিয়েগো মারাদোনাকেও। মেসির কথায়,“দিয়েগো নিশ্চয়ই উপর থেকে এই জয় উপভোগ করছে। আজকের দিনটা তাঁর কাছেও বিশেষ দিন। তাঁকে এই আনন্দ দিতে পেরে আমরা গর্বিত।”
আবার বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা। আগামী রবিবার স্পেনের মুখোমুখি হবেন মেসি-ডি পলরা। সেই ম্যাচ জিততে পারলে ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়বে লিও মেসির দল।