
কলকাতা: এখনও গ্রুপ লিগও পেরোয়নি ফিফা বিশ্বকাপের আসর। দলগুলি খেলেছে মাত্র দুটি করে ম্যাচ। তবে ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপে জমে গিয়েছে গোল্ডেন বুটের আসর। একদিকে ১৮ গোল করে মেসি যেমন বিশ্বকাপ ২০২৬ এর সর্বোচ্চ গোলদাতা, তেমনই খুব একটা পিছনে নেই বাকিরাও। তবে এই বার যেহেতু শেষবার বিশ্বকাপের মঞ্চে নামছেন লিও মেসি, তাই তাঁর কাছে এই বিশ্বকাপ স্পেশাল। আবার, একইভাবে কিলিয়ান এমবাপের কাছেও বিশ্বকাপ স্পেশাল। কেন? টানা ৩ বার দলকে ফাইনাল খেলানোর সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে এমবাপের সামনে।
ইতিমধ্যেই দুই ম্যাচ খেলে নিয়েছে সবকটি দেশ। দুই ম্যাচ খেলে ৫ গোল করেছেন লিও মেসি। প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক ও গতকাল অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে মোট ১৮ গোল করলেন মেসি। তাঁর পাশাপাশি ১৬ গোল করে চমকে দিচ্ছেন এমবাপেও। এই নিয়ে তিনটি বিশ্বকাপ খেললেন এই ফরাসি তারকা। ইতিমধ্যেই তিনি প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছেন ৬ বিশ্বকাপ খেলা মেসিকে। আজ স্পর্শ করেছেন মিরোস্লাভ ক্লোজেকে।
তাঁদের সঙ্গেই রয়েছেন আর্লিং হাল্যান্ড। সেনেগালের বিরুদ্ধে ২ গোল করেছেন হাল্যান্ড। দুটি গোল করেছিলেন ইরাকের বিরুদ্ধেও। তবে জাতীয় দলের হয়ে মাত্র ৫২ ম্যাচে ৫৯ গোল করার রেকর্ড গড়েছেন এই ম্যান সিটির তারকা। ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে চর্চায় রয়েছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেনও।
সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকা –
১) লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) – ৫
২) কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স) – ৪
৩) আর্লিং হাল্যান্ড (নরওয়ে) – ৪
৪) হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড) – ২
এর মধ্যে ফ্রান্স, নরওয়ে ও আর্জেন্টিনা – তিন দেশই রাউন্ড অফ ৩২ এ উঠে গিয়েছে ফলে আরও গোলের সংখ্যা বাড়বে প্রথম তিন দেশের। ইংল্যান্ডের এখনও দুটি ম্যাচ বাকি। তাই হ্যারি কেনও কি ইংল্যান্ডের আঁধার দূর করতে পারবেন? বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি (১৩) গোল করেছিলেন ফরাসি ফুটবলার জাঁ ফঁতে। এবার তাঁর রেকর্ড কি ভাঙতে পারবেন মেসিরা? সেই দিকেই নজর রয়েছে ফুটবল বিশ্বের।