
নিউ জার্সি : বিশ্বকাপ ফাইনাল। একের পর এক উত্তেজক মুহূর্ত, কিন্তু শেষ মুহূর্তে গোলশূন্য প্রথমার্ধ। প্রথম থেকেই স্পেন আক্রমণ শানালেও গোল করতে ব্যর্থ হলেন ইয়ামালরা। চাপে রইল আর্জেন্টিনার ডিফেন্স। বারবার চাপ বাড়ল আর্জেন্টিনার ডিফেন্সে। ফলে, যাবতীয় উত্তেজনা অপেক্ষা করে রইল দ্বিতীয়ার্ধের জন্য।
হলিউড তারকা টম ক্রুজ উদ্বোধন করলেন ফাইনালের। আমেরিকার মাটিতে বিশ্বকাপ কেন গুরুত্বপূর্ণ, বোঝালেন ক্রুজ। ৪-১-২-৩ ফর্মেশনে শুরু করেছে ডে লা ফুয়েন্তের স্পেন। অন্যদিকে ৪-৪-২ ফর্মেশনে খেলছে আর্জেন্টিনা। উপরে মেসি এবং জুলিয়ান আলভারেজ। তবে শুরু থেকেই আর্জেন্টিনার উপর আক্রমণ শানিয়েছিল স্পেন। তিন পরিবর্তন করেও স্পেনের আক্রমণ আটকাতে হিমশিম খাচ্ছে আর্জেন্টিনা। স্পেনের গতিশীল ফুটবলের সামনে একটু হলেও ধাক্কা খাচ্ছে আর্জেন্টিনার পরিকল্পনা। বারবার ফাউল করতে বাধ্য হচ্ছেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা। মেসির পায়ে সেই ভাবে বলই দেখা গেল না প্রথমার্ধে।
বারবার আর্জেন্টিনার বক্সে ঢুকছেন ইয়ামাল, কুকুরেয়া, ওয়েরজাবালরা। ফলে ফাউল করা ছাড়া কোনও উপায় থাকছে না আর্জেন্টিনার কাছে। দু-একটি সেভ করলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজও, নাহলে শুরুতেই এগিয়ে যেত স্পেন। ৪২ মিনিটের মাথায় চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে গেলেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। তাঁর পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামলেন নিকোলাস ওটামেন্ডি।
প্রথমার্ধে শুরু থেকেই দেখা যাচ্ছে স্পেনের দাপট। যেভাবে বারবার স্পেনের গতি প্রতিরোধ করছে আর্জেন্টিনা, কতক্ষন গোল না খেয়ে থাকতে পারেন এমিলিয়ানোরা, এটাই প্রশ্ন থাকবে। তবে একই সঙ্গে এটাও বলতে হবে, আর্জেন্টিনা ভরসা রাখবে মেসির বাঁ পায়ের উপর, যে বাঁ পা বারবার ম্যাজিক দেখিয়েছে। এমনকি, যে মেসি বারবার আর্জেন্টিনাকে সকল প্রতিকূলতা থেকে বাঁচিয়েছেন। দ্বিতীয়ার্ধে কি মেসি ম্যাজিক দেখা যাবে? সেই উত্তরই এখন খুঁজছেন কোটি কোটি ফুটবল সমর্থক।