
আমেরিকা : ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ আজ দেখা যাবে এক অনন্য লড়াই। ২০০২ এর পর আবার বিশ্বকাপে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। তবে সবার দাবি, বিশ্বকাপে বেশি সুবিধে দেওয়া হচ্ছে মেসিদের। প্রতি ম্যাচেই রেফারি নিয়ে বিতর্কে বিদ্ধ আর্জেন্টিনা দল। এই প্রথমবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছেন লিওনেল মেসি। তবে এই ম্যাচের আগেই আবার বিতর্কে বিদ্ধ টিম আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ থেকে নাকি মেসিদের বহিস্কার করার দাবি জানিয়েছে কয়েক লক্ষ ফুটবলপ্রেমী। এমনকি পিটিশন জারি করেছে তারা, যাতে এই পিটিশন দেখে মেসিদের বিদায় ঘটে যায়।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রেফারিদের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে অনলাইনে ৬০ লক্ষের বেশি মানুষ আর্জেন্টিনা ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে একটি পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন। এই অভিযোগের জেরেই বিশ্ব ফুটবলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
ওয়েবসাইট
পিটিশনটির আয়োজক argentinaout.com এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এটা স্পষ্ট যে ফিফা ও রেফারিরা লিও মেসির প্রতি দুর্বল। এরা চায় যেন আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন করা হয়। তাহলে বিশ্বের বাকি দলগুলো কেন এমন একটা টুর্নামেন্ট খেলবে, যার বিজয়ী আগে থেকেই ঠিক করা আছে? আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিস্কার করুন ও সব দলকে সমান সুযোগ দিন।” বুধবার সকাল অবধি এই অনলাইন পিটিশনে প্রায় এক কোটির কাছাকাছি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
এই ম্যাচের আগের লড়াই বেশ গম্ভীর। এই দুই দেশ অনেক কিছুর সাক্ষী। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে মারাদোনার বিতর্কিত হ্যান্ড অফ গড হোক বা বেকহ্যামের পেনাল্টি গোল – সব মিলিয়ে এই দুই দলের ম্যাচ মানে বিতর্ক হবেই। তবে ২০০২ সালের পর আবার বিশ্বকাপে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। তবে এই বিতর্কিত সাক্ষাৎ নিয়ে হ্যারি কেনের মত,“একজন ফুটবলারের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, এটা একটা বুদ্ধিমান দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ। এরা ভাল করেই জানে কিভাবে ফাউল আদায় করতে হয় বা কিভাবে ম্যাচের গতি কমাতে হয়। কেরিয়ারে এমন অনেক দলের বিপক্ষেই খেলতে হয়।” গোল্ডেন বুটের দৌড়ে আছেন ইংল্যান্ডের ক্যাপ্টেন কেনও। লিওনেল মেসি করেছেন ৮ গোল, এমবাপে করেছেন ৮ গোল। কেন করেছেন ৬টি গোল। তবে এমবাপের দলের বিদায়ের পর মেসির সামনে এখন ফাঁকা মাঠ। কিন্তু এই লড়াই যে খুব একটা সহজ হবে না, তা বুঝিয়ে দিচ্ছেন হ্যারি কেন।