Humayun Kabir: ‘এটা মহমেডান ক্লাব, ওঁর জেলার রাজনীতি নয়…’,হুমায়ুনকে আইনি নোটিশ মহমেডান কর্তৃপক্ষের!

Mohammedan Sporting: দিন তিনেক আগে শোনা গিয়েছিল, হুমায়ুনের পাঠানো ৫০ লক্ষ টাকার তিনটি চেক (মোট দেড় কোটি টাকা) বাউন্স হয়েছে। এরপরেই এই বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন নওদাঁর বিধায়ক। কিন্তু তাতেও অসন্তুষ্ট ক্লাব কর্তারা এবার কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

Humayun Kabir: এটা মহমেডান ক্লাব, ওঁর জেলার রাজনীতি নয়...,হুমায়ুনকে আইনি নোটিশ মহমেডান কর্তৃপক্ষের!
হুমায়ুন কবিরImage Credit source: PTI

| Edited By: Moumita Das

Aug 04, 2026 | 11:39 AM

কলকাতা : দিন কয়েক ধরেই উদ্বেল মহমেডান ক্লাব। এর প্রধান কারণ ক্লাব সভাপতি হুমায়ুন কবির। বেশ কয়েক মাস আগে তিনি কথা দিয়েছিলেন, ক্লাবের যাবতীয় যা আর্থিক সমস্যা আছে, সব মেটাবেন তিনি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি পূরণ না করায় এবার বিরক্ত মহমেডান ক্লাব কর্তৃপক্ষ। দিন তিনেক আগে শোনা গিয়েছিল, হুমায়ুনের পাঠানো ৫০ লক্ষ টাকার তিনটি চেক (মোট দেড় কোটি টাকা) বাউন্স হয়েছে। এরপরেই এই বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন নওদাঁর বিধায়ক। কিন্তু তাতেও অসন্তুষ্ট ক্লাব কর্তারা এবার কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে হুমায়ুন কবিরকে। সেই নোটিসের অর্থ হল, যেভাবে হুমায়ুন কথা দিয়েও কথা রাখতে পারেননি, এর ফলে ক্লাবের মনে হয়েছে তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে ক্লাবের সঙ্গে জড়িত হতে চেয়েছিলেন। তাই ক্লাব আইনি পদক্ষেপ নেবে। যদিও মহমেডান জানিয়েছে, যে অর্থ দেওয়ার তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা তাকে ১৫ দিনের মধ্যে দিতে হবে। যদি না হয়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা দায়ের হবে।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম আক্রম এই বিষয়েই টিভি৯ বাংলাকে জানিয়েছেন, “উনি আগে অনেক বড় বড় কথা বলে আসলে কিছুই দেননি। উনি এখন ফেঁসে গিয়েছেন। এটা তো মহমেডান ক্লাব, ওর পার্টি নয়। বাধ্য হয়ে আমাদের আইনি পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। যাও বা চেক দিলেন, তা বাউন্স হয়ে গেল। উনি অসৎ উদ্দেশ্যে এসেছিলেন। কিন্তু চেক বাউন্স করার ফলে আমরা আইনত পদক্ষেপ নিচ্ছি। এবার পুলিশ আর কোর্ট বুঝুক।” হুমায়ুনকে নিয়ে তিতিবিরক্ত মহমেডান ক্লাব ম্যানেজমেন্ট। ওয়াসিম আক্রমের কথায়,“উনি টাকা পয়সা না দিয়ে মুর্শিদাবাদে বসে ডায়লগ দিচ্ছেন। বলছেন, আমাদের ক্লাব থেকে বের করে দেবেন। সবকিছু এত সোজা নাকি? এটা মহমেডান ক্লাব। ওঁর জেলার পলিটিক্স নাকি? উনি ক্লাবে আসুক, তারপর কথা হবে। আমরা ওঁকে বারবার ক্লাবে ডাকলেও উনি না এসে মুর্শিদাবাদ থেকেই বড় বড় কথা বলছেন। টাকা না দিলে ওঁকে জেলে যেতেই হবে। তারপর নাহয় নিজেকে বেল দিয়ে ছাড়িয়ে নেবেন।”

সূত্রের খবর, ১৫ জুনের মধ্যে নির্ধারিত অঙ্কের টাকা দেওয়ার। কিন্তু তা দিতে না পাড়ার ফলেই শুরু হয়েছে যাবতীয় জটিলতা। এমনকি ইতিমধ্যেই অস্থায়ী সভাপতি হিসেবে গজল জাফরকে নিয়েছে ক্লাব। এবার আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আদৌ কি হুমায়ুন টাকা দেন, নাকি অন্য কোনও বিতর্ক দেখা যায় শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাবকে নিয়ে, সেই দিকেই নজর রয়েছে বঙ্গ ক্রীড়ামহলের।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us