Mohunbagan Supergiant: বিশালের বিশ্বস্ত হাতে ধস পাহাড়ে, ৩ বছর পর ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি!

Durand Cup 2026 Semi Final: শেষবার আইএসএলে যে ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল, সেই ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক কম হয়নি। কেন প্রায় নদী হয়ে যাওয়া মাঠে খেলা হয়েছিল, এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আবার ডুরান্ড ফাইনাল ২০২৪-এ এই নর্থইস্টের কাছেই ফাইনালে হারতে হয়েছিল মোহনবাগানকে।

Mohunbagan Supergiant: বিশালের বিশ্বস্ত হাতে ধস পাহাড়ে, ৩ বছর পর ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি!
মোহনবাগান সুপারজায়েন্ট Image Credit source: PTI

| Edited By: Moumita Das

Aug 21, 2026 | 1:04 AM

মোহনবাগান – ০ (৪) : নর্থইস্ট ইউনাইটেড – ০ (৩)

শিলং: গত ম্যাচের পুনরাবৃত্তি এই ম্যাচেও। কোয়ার্টার ফাইনালে মোহনবাগান টাইব্রেকারে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে ৯-৮ ফলে জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল। সেমিফাইনালেও সেই টাইব্রেকার। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিট ০-০ ফল রাখার পরও জয় এল। এবারও সেই টাইব্রেকারই জেতাল বাগানকে। টানা দুই নক-আউট ম্যাচেই বাগানকে বাঁচালেন বিশাল কাইথ। শেষবার আইএসএলে যে ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল, সেই ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক কম হয়নি। কেন প্রায় নদী হয়ে যাওয়া মাঠে খেলা হয়েছিল, এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আবার ডুরান্ড ফাইনাল ২০২৪-এ এই নর্থইস্টের কাছেই ফাইনালে হারতে হয়েছিল মোহনবাগানকে। সব জ্বালা আজ পুষিয়ে দিলেন বিশাল। তাঁর বিস্বস্ত হাত আবার ট্রফির একধাপ আগে নিয়ে চলে গেল সবুজ-মেরুনকে।

এদিন ৪-৪-২ ফর্মেশনে দল সাজিয়েছিলেন বাগান কোচ প্যানোস। দুই বিদেশি আলবার্তো ও সমীর জেলকোভিচকে রেখে আক্রমন বিভাগ তৈরি করেছিলেন তিনি। কিন্তু প্রথম মিনিট ২০ বাগানের পায়ে খুব একটা বল দেখা যায়নি। যাবতীয় আক্রমণ তখন যেন আলাদিন, জিতিনদের পায়ে। তবুও বাগানের কপাল ভাল, গোলমুখ খোলেনি। ৩৩ মিনিটের মাথায় আলাদিনকে বাজে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন আপুইয়া। ৪০ মিনিটের মাথায় লিস্টনের পাস থেকে মাপা বল নষ্ট করেন সমীর। এর কিছুক্ষন পর মাঝমাঠ থেকে সাহেলের দূরপাল্লার শট কোনও মতে বাঁচান নর্থইস্ট গোলকিপার গুরমিত।

দ্বিতীয়ার্ধেও একাধিক সুযোগ পেয়েছিল দুই দল কিন্তু গোল করতে ব্যর্থ হয় দুই দলই। ৬৩ মিনিটের মাথায় নিশ্চিত গোল করা থেকে ব্যর্থ হয় হাইল্যান্ডার্সরা। ৭১ মিনিটের মাথায় মাঠে নামলেন মিগুয়েল ফেরেইরা। গত বছর লাল-হলুদ জার্সিতে মরশুম মাতানোর পর এবার তিনি অন্য দলে। ৮০ মিনিটে নামলেন আর এক পরিবর্ত ছাংতে। ৯০ মিনিটেও গোল না হওয়ার ফলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। মোহনবাগানের হয়ে রাহুল ভেকে, শুভাশিস বোস, লিস্টন কোলাসো ও জেমি ম্যাকলারেন গোল করেন। নর্থইস্টের হয়ে রবিন যাদব ও পার্থিব গগৈ মিস করতেই উচ্ছ্বাস শুরু করে বাগান ব্রিগেড।

আবার ফাইনালে উঠে গেল মোহনবাগান। আগামী রবিবার ফাইনালে তাদের মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল। ২০২৩ সালে শেষবার ডুরান্ড ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল কলকাতার দুই প্রধান। সেই ম্যাচ জিতেছিল মোহনবাগান, গোল করেছিলেন দিমিত্রি। এবার তিনি নেই। রবিবার ম্যাচ জিতে কি ২২ বছর পর ডুরান্ড কাপ জয়ের আশা পূরণ করবে লাল-হলুদ? সেই দিকেই এখন নজর সবার।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us