
কলকাতা : যেহেতু দুই দলের বিশেষ বিদেশী প্রদর্শনের সুযোগ ছিল না, তাই নজর ছিল দুই দলের কোচ প্যানাজিওটিস দিলমপেরিস ও আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দিকে নজর ছিল সবার। সেখানেই ইস্টবেঙ্গলের কোচ হাবাসকে কড়া প্রশ্নের মুখে ফেলে ডার্বি উৎরে গেলেন বাগান কোচ দিলমপেরিস। মোহনবাগানের কাছে ১-০ হেরে ডুরান্ড যাত্রা শুরু করল ইস্টবেঙ্গল। ৫৪ মিনিটে একমাত্র গোল করেছেন সাহাল আব্দুল সামাদ।
বছরের প্রথমার্ধে আইএসএল ডার্বিতে কোনও ফল আসেনি। তাই আজকের ম্যাচের দিকে নজর ছিল দুই প্রধানের সমর্থকদের। একেই বাগানে নেই কামিন্স, দিমিরা। সেই অর্থে বড় বিদেশী নেই ইস্টবেঙ্গলেও। শেষের দিকে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গল। দুরন্ত লড়াই করলেন বিশাল কাইথ। আর তাই ডার্বি জিতে মরশুম শুরু করল মোহনবাগান।
দুই দলেই আজ কোনও বিদেশী ছিল না। দুই কোচ সেই অর্থে প্রস্তুতির সময়ও পাননি। দুই দলেরই ফিটনেসের অভাব বোঝা যাচ্ছিল বারবার। তবে ২৪ মিনিটের মাথায় সাহালের শট লাগে জিকসনের হাতে কিন্তু রেফারি পেনাল্টি দেননি। দ্বিতীয়ার্ধে ৫২ মিনিটের মাথায় গোল করলেন তিনি। বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েছিলেন কিয়ান নাসিরি। তাঁর থেকে বল কভার করেন মনবীর সিং। তাঁর থেকে বল পেয়ে ফাঁকা গোলে বল ঠেলে দিতে ভুল করেননি সাহাল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণ করে গিয়েছে লাল-হলুদ। রশিদ নামার পর আক্রমণে বৈচিত্র্য আসে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ বিভাগ কিন্তু তাঁদের সব আক্রমণ প্রতিহত করে দেন বিশাল কাইথ। বিশাল না থাকলে আজ হেরে যেতে পারত মোহনবাগান।
আজকের ডুরান্ডে ম্যাচের শুরুতে এসেছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি প্রত্যেক খেলোয়াড়দের সঙ্গে দেখা করেন। আইএসএল-এ আগের সিজনের ডার্বিতে কোনও ফল আসেনি। তাই এই ডার্বিতে ফল দরকার ছিল। শেষে জয় পেল মোহনবাগান। এরফলে ডুরান্ডের শুরুতেই এগিয়ে থাকল সবুজ-মেরুন।