
রোম : ২০১৪ সালে শেষবার বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করেছিল ইতালির ফুটবল দল। তারপর থেকে প্রায় এক যুগ কেটে গেলেও ইতালির ফুটবল জুড়ে শুধুই শূন্যতা। ২০১৮, ২০২২, ২০২৬ – একটি বিশ্বকাপেও যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ইতালি। ২০২৬ এ বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে না পেরে অবশেষে কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন গাত্তুসো। তাই কে হবে ইতালির পরবর্তী কোচ, এই নিয়ে প্রশ্ন ছিলই।
তবে এবার শোনা যাচ্ছে, ইতালির ফুটবল ফেডারেশন আন্দ্রে পির্লোকে জাতীয় দলের কোচ করতে ইচ্ছুক। ৪ বছরের চুক্তি হবে। শুক্রবার ইতালির সংবাদমাধ্যমে শোনা গিয়েছে এই খবর। তবে এবার ইতালির ফুটবল ফেডারেশন ইতালির প্রাক্তন মিডফিল্ডার আন্দ্রে পির্লো ২০০৬ সালে ইতালির হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। ক্লাব ফুটবলেও ইন্টার মিলান, এসি মিলান ও জুভেন্টাসের হয়ে অত্যন্ত সফল কেরিয়ার গড়েন তিনি। বর্তমানে ৪৭ বছর বয়সী পির্লো সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রথম স্তরের ক্লাব দুবাই ইউনাইটেডের কোচ। এর আগে ২০২০-২১ মরশুমে জুভেন্টাসের দায়িত্বে ছিলেন পির্লো। তাঁর কোচিংয়েই জুভেন্টাস কোপা ইতালিয়া ও ইতালিয়ান সুপার কাপ জিতেছিল।
পিরলোর সঙ্গে চুক্তির খবর প্রকাশের কয়েক ঘন্টা আগেই জানা যায়, প্রাক্তন ম্যান সিটি ও বার্সেলোনার কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা ইতালির কোচ হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন। রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন আলোচনার সঙ্গে যুক্ত এক সূত্র। ৫৫ বছর বয়সী স্প্যানিশ কোচের সঙ্গে ইতালির কোচ হওয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। ইতালির ফুটবল সভাপতি জিওভান্নি মালাগো জানিয়েছিল, গুয়ার্দিওলার মতো কোচকে আনতে হলে আর্থিক দিক থেকেও শক্তিশালী হওয়া দরকার।
বর্তমানে ইতালির ফুটবল কয়েক দশকের অন্যতম কঠিন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় দলের নতুন কোচকে নিয়োগ করে দলের পরিবর্তনই নয়, বরং দেশের ভেঙে পড়া ফুটবল ও প্রতিভা গড়ে তুলতে চাইছে ইতালি। ফুটবলপ্রেমী এই দেশ ইতালিতে তাই পির্লোর নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।