
কলকাতা : প্রথম ম্যাচে হারতে হয়েছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানের কাছে। সাহালের একমাত্র গোলে ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ হারিয়েছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। তবে দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেই পুরোনো ফর্মে ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদের সেনানীর কাছে ৮-০ গোলে তাসের দেশের মতো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল সিআইএসএফ প্রোটেক্টর্স। ডুরান্ড কাপ ২০২৬-এ টিকে থাকতে গেলে এই ম্যাচ জিততেই হতো মশাল বাহিনীকে। শুধু জয় নয়, বিপক্ষকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে ডুরান্ডে টিকে রইল হাবাসের ছেলেরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে ইস্টবেঙ্গল। হাবাসের দলের আক্রমণ বিভাগের সামনে শুরু থেকেই একপ্রকার আত্মসমর্পণ করে ফেলে সিআইএসএফ। প্রথমার্ধেই ইস্টবেঙ্গল এগিয়ে যায় ৩-০ গোলে। বিষ্ণুর গোল ও জিকসনের গোলেই প্রথমার্ধে ম্যাচ একপ্রকার পকেটে পুরে নেয় লাল-হলুদ। বিরতির পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধে দুরন্ত বাইসাইকেল কিকে গোল করে দলকে ৪-০ এগিয়ে দেন বিষ্ণু। ৬৪ মিনিটের মাথায় বিপিন সিং গোল করেন। ৭০ ও ৭৪ মিনিটে জোড়া গোল করলেন জেসিন টিকে। এর মিনিট তিনেকের পরেই হ্যাটট্রিক করেন বিষ্ণু। শেষ পর্যন্ত ৮-০ গোলে জিতল লাল-হলুদ ব্রিগেড।
সিআইএসএফ-এর খেলা দেখে মনে হয়েছে আজ ইস্টবেঙ্গল অন্তত ১০-১২ গোলে জিততে পারত। কিন্তু তাদের গোলকিপার রাজ বেশ কিছু সেভ দলকে আরও বড় লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন দলকে। আজকের ম্যাচ ছিল কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে। এই মাঠেই কয়েক মাস আগে আইএসএল জিতেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। তবে, আজকের এই জয় একটু হলেও বিশেষ মাহাত্ম্য আছে। কারণ আগামীকাল দলের প্রতিষ্ঠা দিবস। তার আগেই এই বিশেষ মুহূর্তে সমর্থকদের উচ্ছাসে মাতালেন বিষ্ণু-আনোয়াররা।