
আমেরিকা: এই মুহূর্তে আর্লিং হাল্যান্ডকে (Erling Haaland) বলা হচ্ছে বিশ্বের সবথেকে চর্চিত ও প্রতিভাশালী খেp)লোয়াড়দের একজন। নরওয়ে (Norway) দলে এই মুহূর্তে হাল্যান্ডের ফর্ম দুর্দান্ত। বিশ্বকাপে (FIFA World Cu তিনি প্রমান করে দিয়েছেন, কেন তাঁকে এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা স্ট্রাইকার বলা হচ্ছে। ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচেই করেছেন ৪ গোল। এই গোলদাতা শুধু গোলমেশিনই নয়, তিনি শারীরিকভাবেও খুব শক্তিশালী। তবে তিনি শুধুই একজন গোলস্কোরার নয়, তিনি বিশ্বের দ্রুততম ফুটবলারদের মধ্যে একজন। তাঁর উচ্চতা ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি হলেও তাঁর ফর্ম ইতিমধ্যেই দুর্দান্ত।
তবে এই অসাধারণ ফিটনেস বজায় রাখতে হাল্যান্ড কঠোর ডায়েট ও রিকভারি রুটিন মেনে চলেন। শোনা গিয়েছে, তিনি প্রতিদিন প্রায় ৪০০০ ক্যালোরির খাবার খান, যা সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি এর ফলেই নাকি তিনি ফিট থাকেন। ২০২২ সালে প্রকাশিত Haaland : The Big Decision নামক তথ্যচিত্রে তিনি জানান, তিনি নাকি যত সম্ভব উচ্চমানের খাবার খেতে পছন্দ করেন। মূলত মাংসই বেশী খান তিনি, যা তাঁকে রাখে শারীরিক ভাবে ফিট।
তাঁর দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় থাকে স্টেক, ডিম, মাছ, মধু ও দুধের মতো পুষ্টিকর খাদ্য। মূলত মাংস নির্ভর ডায়েটেই আগ্রহী হাল্যান্ড। তবে শুধু ইউরোপীয় খাবার নয়। প্রিমিয়ার লীগ ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ভারতীয় খাবারের প্রতি তাঁর বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। তাঁর কথায়,“আমি ভারতীয় খাবার বেশ পছন্দ করি। ল্যাম্ব চপস, বাটার চিকেন আমার সবচেয়ে প্রিয়। আর গার্লিক নানও দারুন লাগে।” প্রতিদিন এতবেশি ক্যালোরি নিলেও হাল্যান্ড নিজের শরীরকে নিখুঁত রাখতে চান।
নিজের এই কঠোর রিকভারি রুটিন সামলাতে ইংল্যান্ডের চেশায়ার শহরে নিজের বাড়িতে প্রায় ৫০০০০ পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রাতে প্রায় ৬২ লক্ষ টাকা) খরচ করে ক্রায়ো চেম্বার তৈরী করেছেন তিনি। এছাড়াও নিয়মিত আইস বাথ, রেড লাইট থেরাপি নিয়ে নিজের ফিজিওকে শক্তিশালী রাখেন তিনি। তাঁর ফিটনেস রুটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ঘুম। ঘুমের ম্যান ভাল রাখতে ব্লু-লাইট ব্লকিং চসহমার ব্যবহার করেন ম্যান সিটির এই তারকা ফুটবলার। বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ৪ গোল করে ফেলেছেন হাল্যান্ড। তবে এসব প্রমান করে, তিনি শুধু গোল নয়, শরীরকে সুস্থ অবস্থায় রাখাও বেশী প্রয়োজনীয়।