AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

26/11 Mumbai Attack: ১৮ বছর পর শুরু ইন অ্যাবসেনশিয়া ট্রায়াল, বিচারের মুখে হাফিজ সইদ-সহ ৬ জন

26/11 Mumbai Attack: ১৮ বছর পর শুরু ইন অ্যাবসেনশিয়া ট্রায়াল, বিচারের মুখে হাফিজ সইদ-সহ ৬ জন

TV9 Bangla Digital

| Edited By: Purvi Ghosh

Updated on: Aug 24, 2026 | 5:47 PM

Share

মুম্বই হামলার প্রায় ১৮ বছর পর অবশেষে সেই নাশকতার নেপথ্যে থাকা পাকিস্তানি হ্যান্ডলার ও চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে হামলা চালিয়েছিল ১০ জন জঙ্গি। তাঁদের মধ্যে ৯ জন নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে নিহত হয়। একমাত্র জীবিত জঙ্গি আজমল আমির কসাভকে পরে ফাঁসি দেওয়া হয়। কিন্তু হামলার নেপথ্যে থাকা পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া এতদিন কার্যত থমকে ছিল। এবার সেই মামলায় বড় পদক্ষেপ করেছে মুম্বই পুলিশ। যাবতীয় নথি মুম্বইয়ের বিশেষ দায়রা আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। হাফিজ সইদ, জাকিউর রহমান লকভি এবং সাজিদ মির-সহ মোট ছ’জনের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হবে। বাকি তিন অভিযুক্ত হল আবু আল কামা, আবু কাহাফা এবং পাক সেনার প্রাক্তন মেজর আবদুল রহমান পাশা। অভিযুক্তরা কেউই বর্তমানে ভারতের হাতে নেই। তাঁরা পাকিস্তানে রয়েছেন। ফলে তাঁদের অনুপস্থিতিতেই বিচার বা ইন অ্যাবসেনশিয়া ট্রায়াল হবে।

মুম্বই হামলার প্রায় ১৮ বছর পর অবশেষে সেই নাশকতার নেপথ্যে থাকা পাকিস্তানি হ্যান্ডলার ও চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে হামলা চালিয়েছিল ১০ জন জঙ্গি। তাঁদের মধ্যে ৯ জন নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে নিহত হয়। একমাত্র জীবিত জঙ্গি আজমল আমির কসাভকে পরে ফাঁসি দেওয়া হয়। কিন্তু হামলার নেপথ্যে থাকা পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া এতদিন কার্যত থমকে ছিল।

এবার সেই মামলায় বড় পদক্ষেপ করেছে মুম্বই পুলিশ। যাবতীয় নথি মুম্বইয়ের বিশেষ দায়রা আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। হাফিজ সইদ, জাকিউর রহমান লকভি এবং সাজিদ মির-সহ মোট ছ’জনের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হবে। বাকি তিন অভিযুক্ত হল আবু আল কামা, আবু কাহাফা এবং পাক সেনার প্রাক্তন মেজর আবদুল রহমান পাশা। অভিযুক্তরা কেউই বর্তমানে ভারতের হাতে নেই। তাঁরা পাকিস্তানে রয়েছেন। ফলে তাঁদের অনুপস্থিতিতেই বিচার বা ইন অ্যাবসেনশিয়া ট্রায়াল হবে।

এই মামলায় বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে সরকারি আইনজীবী উজ্জ্বল নিকমের ভূমিকাতেও। কসাভের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আদালতে সওয়াল করেছিলেন নিকম। বর্তমানে তিনি রাষ্ট্রপতি মনোনীত রাজ্যসভার সাংসদ। এবারও ইন অ্যাবসেনশিয়া ট্রায়ালে তিনি আইনজীবীর ভূমিকায় থাকবেন। অভিযোগ অনুযায়ী, লস্কর-ই-তৈবার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদের পরিকল্পনা এবং অনুমতিতেই মুম্বই হামলা হয়েছিল। ভারতে ঢোকার আগে মুজফ্ফরাবাদে কসাভ-সহ হামলাকারীদের চূড়ান্ত মগজ ধোলাইয়ের জন্য ভাষণ দিয়েছিল সইদ।

লস্কর-ই-তৈবার অপারেশনাল চিফ জাকিউর রহমান লকভির বিরুদ্ধে অভিযোগ, মুম্বই হামলার প্রতিটি ধাপের পরিকল্পনা করেছিল সে। হামলার সময় করাচির কন্ট্রোল রুমে বসে স্যাটেলাইট ফোনের মাধ্যমে জঙ্গিদের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। লস্করের শীর্ষ কমান্ডার সাজিদ মিরের নির্দেশেই মার্কিন নাগরিক ডেভিড কোলম্যান হেডলি মুম্বইয়ে এসে হামলার সম্ভাব্য টার্গেটগুলির তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। সিনিয়র কমান্ডার আবু আল কামার বিরুদ্ধে অভিযোগ, জলপথে জঙ্গিদের ভারতে ঢোকার ব্যবস্থা করা এবং হামলার সময় ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল দেখে ফোনে জঙ্গিদের আপডেট দেওয়ার কাজ করেছিল সে।

লস্করের অন্যতম শীর্ষ প্রশিক্ষক আবু কাহাফার বিরুদ্ধে অভিযোগ, কসাভ-সহ ১০ জঙ্গিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিল সে। অন্যদিকে, পাক সেনার প্রাক্তন মেজর আবদুল রহমান পাশার বিরুদ্ধে লস্কর-ই-তৈবা এবং পাক সেনার মধ্যে সমন্বয় রাখার অভিযোগ রয়েছে।

কী এই ইন অ্যাবসেনশিয়া ট্রায়াল?

সাধারণভাবে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্তের উপস্থিতিতেই বিচারপ্রক্রিয়া চলে। তবে কোনও অভিযুক্ত পলাতক থাকলে বা বিদেশে অবস্থান করার কারণে তাঁকে আদালতে হাজির করা সম্ভব না হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে তাঁর অনুপস্থিতিতেও বিচার চালানো যেতে পারে। সেটিই ইন অ্যাবসেনশিয়া ট্রায়াল। এই প্রক্রিয়ায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হলে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করতে পারে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হলে সেই সাজা কার্যকর করা সম্ভব। অর্থাৎ, অভিযুক্তকে ভারতে ফিরিয়ে আনার পর নতুন করে পুরো বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করার প্রয়োজন হবে না। হাফিজ সইদ-সহ এই ছ’জন বর্তমানে পাকিস্তানে থাকায় তাঁদের ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতিতেই বিচারপ্রক্রিয়া এগোতে চলেছে। ফলে প্রায় ১৮ বছর পর ২৬/১১ মুম্বই হামলার নেপথ্যে থাকা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ায় নতুন করে গতি আসতে চলেছে।

Follow Us