AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

'এবার কী হবে!' মুখে সারাদিন একটাই কথা, মাঝরাতে সব শেষ

‘এবার কী হবে!’ মুখে সারাদিন একটাই কথা, মাঝরাতে সব শেষ

Nileswar Sanyal

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Updated on: Jan 06, 2026 | 11:27 PM

Share

জলপাইগুড়ির এক দিনমজুরের মৃত্যুতে উঠছে প্রশ্ন। মৃতের নাম মলিন রায়। তিনি কোচবিহার জেলার হলদিবাড়ি ব্লকের উত্তর বড় হলদিবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের সর্দার পাড়া এলাকার বাসিন্দা। ২০২৫-এর খসড়া তালিকায় নাম থাকলেও ২০০২-এর তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া এলাকায়। তাঁর স্ত্রীর অভিযোগ হিয়ারিং-এ ডাক পাওয়ার পর থেকে তাঁর টেনশন শুরু হয়। 'এবার কী হবে!' সারাক্ষণ এই একই কথা বলতেন তিনি।

SIR আতঙ্কে হার্ট অ্যাটাক! জলপাইগুড়ির এক দিনমজুরের মৃত্যুতে উঠছে প্রশ্ন। মৃতের নাম মলিন রায়। তিনি কোচবিহার জেলার হলদিবাড়ি ব্লকের উত্তর বড় হলদিবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের সর্দার পাড়া এলাকার বাসিন্দা। ২০২৫-এর খসড়া তালিকায় নাম থাকলেও ২০০২-এর তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া এলাকায়। তাঁর স্ত্রীর অভিযোগ হিয়ারিং-এ ডাক পাওয়ার পর থেকে তাঁর টেনশন শুরু হয়। ‘এবার কী হবে!’ সারাক্ষণ এই একই কথা বলতেন তিনি।

মর্মান্তিক খবর পেয়ে তার বাড়িতে ছুটে যান মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশ চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, “SIR-এর কারণেই টেনশন থেকে সোমবার গভীর রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন ওই ব্যক্তি। ২০০২-এ তাঁর নাম থাকলেও ২০২৫ সালে তাঁর নাম ছিল না। তাঁর কাছে কাগজ বলতে ছিল আধার কার্ড এবং কাস্ট সার্টিফিকেট।”

Published on: Jan 06, 2026 11:26 PM