‘আর কতদিন এভাবে লড়াই করব জানি না’, বেঁচে থাকার লড়াই ‘মৃত’ বৃদ্ধ দম্পতির

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Apr 17, 2026 | 1:12 AM

সরকারি নথির এক চরম উদাসীনতায় জীবিত থেকেও মৃত হয়ে রয়েছেন নদিয়ার এক বৃদ্ধ দম্পতি। গত এক বছর ধরে বন্ধ তাঁদের একমাত্র সম্বল বার্ধক্য ভাতা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস গ্রাম পঞ্চায়েতের পার চন্দননগরের ৮ নম্বর বুথ এলাকায়।  ৯৪ বছর বয়সী পাঁচুগোপাল তরফদার ও তাঁর স্ত্রী পার্বতী। পাঁচু একসময় ভ্যান-রিকশা চালাতেন এবং এলাকায় বাউল শিল্পী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বার্ধক্যজনিত কারণে এখন আর শরীর চলে না। কিছুদিন আগেই তাঁদের একমাত্র সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। অভাবের সংসারে রেশনের চাল আর সরকারি বার্ধক্য ভাতাই ছিল বেঁচে থাকার শেষ আশাটুকু। কিন্তু হঠাৎই সেই ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন তাঁরা। বিডিও অফিসে খোঁজ নিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, সরকারি নথিতে তাঁদের ‘মৃত’ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে কেন্দ্রীয় সরকারের এনএসএপি (NSAP) প্রকল্পের টাকা।

সরকারি নথির এক চরম উদাসীনতায় জীবিত থেকেও মৃত হয়ে রয়েছেন নদিয়ার এক বৃদ্ধ দম্পতি। গত এক বছর ধরে বন্ধ তাঁদের একমাত্র সম্বল বার্ধক্য ভাতা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস গ্রাম পঞ্চায়েতের পার চন্দননগরের ৮ নম্বর বুথ এলাকায়।  ৯৪ বছর বয়সী পাঁচুগোপাল তরফদার ও তাঁর স্ত্রী পার্বতী। পাঁচু একসময় ভ্যান-রিকশা চালাতেন এবং এলাকায় বাউল শিল্পী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বার্ধক্যজনিত কারণে এখন আর শরীর চলে না। কিছুদিন আগেই তাঁদের একমাত্র সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। অভাবের সংসারে রেশনের চাল আর সরকারি বার্ধক্য ভাতাই ছিল বেঁচে থাকার শেষ আশাটুকু। কিন্তু হঠাৎই সেই ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন তাঁরা। বিডিও অফিসে খোঁজ নিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, সরকারি নথিতে তাঁদের ‘মৃত’ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে কেন্দ্রীয় সরকারের এনএসএপি (NSAP) প্রকল্পের টাকা।

Follow Us