AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

পৌরসভার তৃণমূল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা তৃণমূলেরই, পিছনে কোন অঙ্ক?

পৌরসভার তৃণমূল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা তৃণমূলেরই, পিছনে কোন অঙ্ক?

Nileswar Sanyal

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Updated on: Aug 12, 2026 | 5:07 PM

Share

তৃণমূল পরিচালিত পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছে তৃণমূলের অপরগোষ্ঠী। যা নিয়ে শুরু হয়েছে দড়ি টানাটানি। শেষমেশ কোন গোষ্ঠীর হাতে ক্ষমতা যায় তা নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।জলপাইগুড়ি পৌরসভার ঋতব্রতপন্থী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থার পক্ষে শক্তি প্রদর্শন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কাউন্সিলরদের। পালটা তোপ দেগে চেয়ারম্যানের দাবি, বিজেপির সঙ্গে আঁতাত করে অনাস্থা এনেছে কালীঘাটপন্থীরা। আস্থা ভোট হলে চক্রান্ত ব্যর্থ হবে। ২৫ আসন বিশিষ্ট জলপাইগুড়ি পৌরসভা। এর মধ্যে ২২ জন তৃণমূলের। ২ জন কংগ্রেস এবং ১ জন সিপিএম কাউন্সিলর রয়েছেন। পালাবদলের পর এই পৌরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেন। ক্ষুব্ধ হন মমতা। এরপর দলনেত্রীর নির্দেশ মতো ঋতব্রতপন্থী সৈকতের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন ৯ জন কালীঘাটপন্থী কাউন্সিলর। কিন্তু আস্থা ভোটে জিততে গেলে কালীঘাটপন্থীদের চাই অন্তত ১৩ জনের সমর্থন। এবার ১৫ জন কাউন্সিলরকে নিয়ে বৈঠক করে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করলেন কালীঘাটপন্থীরা। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে পালটা তোপ দেগেছেন চেয়ারম্যান সৈকত। তিনি জানান, বিজেপির সঙ্গে আঁতাত করে অনাস্থা এনেছে কালীঘাটপন্থীরা। আস্থা ভোট হলে চক্রান্ত ব্যর্থ হবে। এই ইস্যুতে তৃণমূলের দুই শিবিরকে খোঁচা দিয়েছে বিজেপি।

তৃণমূল পরিচালিত পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছে তৃণমূলের অপরগোষ্ঠী। যা নিয়ে শুরু হয়েছে দড়ি টানাটানি। শেষমেশ কোন গোষ্ঠীর হাতে ক্ষমতা যায় তা নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।জলপাইগুড়ি পৌরসভার ঋতব্রতপন্থী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থার পক্ষে শক্তি প্রদর্শন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কাউন্সিলরদের। পালটা তোপ দেগে চেয়ারম্যানের দাবি, বিজেপির সঙ্গে আঁতাত করে অনাস্থা এনেছে কালীঘাটপন্থীরা। আস্থা ভোট হলে চক্রান্ত ব্যর্থ হবে।

২৫ আসন বিশিষ্ট জলপাইগুড়ি পৌরসভা। এর মধ্যে ২২ জন তৃণমূলের। ২ জন কংগ্রেস এবং ১ জন সিপিএম কাউন্সিলর রয়েছেন। পালাবদলের পর এই পৌরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেন। ক্ষুব্ধ হন মমতা। এরপর দলনেত্রীর নির্দেশ মতো ঋতব্রতপন্থী সৈকতের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন ৯ জন কালীঘাটপন্থী কাউন্সিলর।

কিন্তু আস্থা ভোটে জিততে গেলে কালীঘাটপন্থীদের চাই অন্তত ১৩ জনের সমর্থন। এবার ১৫ জন কাউন্সিলরকে নিয়ে বৈঠক করে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করলেন কালীঘাটপন্থীরা। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে পালটা তোপ দেগেছেন চেয়ারম্যান সৈকত। তিনি জানান, বিজেপির সঙ্গে আঁতাত করে অনাস্থা এনেছে কালীঘাটপন্থীরা। আস্থা ভোট হলে চক্রান্ত ব্যর্থ হবে। এই ইস্যুতে তৃণমূলের দুই শিবিরকে খোঁচা দিয়েছে বিজেপি।

Follow Us