AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

প্রথম উপার্জনের টাকায় বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের মুখে হাসি ফোটাল ওরা, তারপর...

প্রথম উপার্জনের টাকায় বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের মুখে হাসি ফোটাল ওরা, তারপর…

Nileswar Sanyal

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Updated on: Sep 01, 2026 | 2:17 PM

Share

জীবনের প্রথম উপার্জন দিয়ে বিলাসিতা নয়। বদলে ওই টাকা দিয়ে বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের জন্য উপহার কিনল স্কুল পড়ুয়ারা। আর সেই উপহার পেয়ে মুখে হাসি ফুটল বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের গড়াল বাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিবেকানন্দ হাইস্কুল। সীমান্ত লাগোয়া এই স্কুলের বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীই অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ফাস্ট জেনারেশন লার্নার। করোনা মহামারির সময় লকডাউন শুরু হয় । স্কুল বন্ধ হয়। সেইসময় পড়ুয়াদের স্কুল থেকে কিছু টাস্ক দেওয়া হয়েছিব। যার মধ্যে ছিল নিজের হাতে জুয়েলারি তৈরি করা। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর স্কুল শুরু হয়। পড়ুয়ারা তাদের তৈরি বিভিন্ন জিনিসপত্র স্কুলে নিয়ে আসে। শিক্ষকদের দেখায়। যা দেখে উচ্ছ্বসিত হন শিক্ষকরা। ২০২৩ সালে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন, স্কুল প্রাঙ্গণে আনন্দমেলার আয়োজন করার। কয়েকদিন ধরে স্কুলে মেলা চলে। মেলায় প্রচুর ভিড় হয়। পড়ুয়াদের হাতে তৈরি জিনিসপত্র বিক্রি হয়। বেশ মোটা টাকা লাভ হয়। পড়ুয়ারা সিদ্ধান্ত নেয়, ওই টাকা তারা অযাচিত খরচ করবে না। জমিয়ে রাখবে। লাভের টাকা দিয়ে তারা সামাজিক কাজ করবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার পুজোর মুখে তারা বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে অসহায় মানুষদের হাতে রাখি পরিয়ে দেয়। তাদের জন্য দুটি স্ট্যান্ড ফ্যান, প্রত্যেককে বিছানার চাদর। সঙ্গে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করে। পড়ুয়াদের কাছ থেকে এমন উপহার পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকরা। তাঁরা দু'হাত তুলে আশীর্বাদ করেন।

জীবনের প্রথম উপার্জন দিয়ে বিলাসিতা নয়। বদলে ওই টাকা দিয়ে বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের জন্য উপহার কিনল স্কুল পড়ুয়ারা। আর সেই উপহার পেয়ে মুখে হাসি ফুটল বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের গড়াল বাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিবেকানন্দ হাইস্কুল। সীমান্ত লাগোয়া এই স্কুলের বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীই অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ফাস্ট জেনারেশন লার্নার।

করোনা মহামারির সময় লকডাউন শুরু হয় । স্কুল বন্ধ হয়। সেইসময় পড়ুয়াদের স্কুল থেকে কিছু টাস্ক দেওয়া হয়েছিব। যার মধ্যে ছিল নিজের হাতে জুয়েলারি তৈরি করা। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর স্কুল শুরু হয়। পড়ুয়ারা তাদের তৈরি বিভিন্ন জিনিসপত্র স্কুলে নিয়ে আসে। শিক্ষকদের দেখায়। যা দেখে উচ্ছ্বসিত হন শিক্ষকরা। ২০২৩ সালে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন, স্কুল প্রাঙ্গণে আনন্দমেলার আয়োজন করার।

কয়েকদিন ধরে স্কুলে মেলা চলে। মেলায় প্রচুর ভিড় হয়। পড়ুয়াদের হাতে তৈরি জিনিসপত্র বিক্রি হয়। বেশ মোটা টাকা লাভ হয়। পড়ুয়ারা সিদ্ধান্ত নেয়, ওই টাকা তারা অযাচিত খরচ করবে না। জমিয়ে রাখবে। লাভের টাকা দিয়ে তারা সামাজিক কাজ করবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার পুজোর মুখে তারা বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে অসহায় মানুষদের হাতে রাখি পরিয়ে দেয়। তাদের জন্য দুটি স্ট্যান্ড ফ্যান, প্রত্যেককে বিছানার চাদর। সঙ্গে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করে। পড়ুয়াদের কাছ থেকে এমন উপহার পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকরা। তাঁরা দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করেন।

Follow Us