AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Caedmon’s Hymn: পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ইংরেজি কবিতা কোনটা জানেন?

Caedmon’s Hymn: পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ইংরেজি কবিতা কোনটা জানেন?

TV9 Bangla Digital

| Edited By: Purvi Ghosh

Updated on: May 31, 2026 | 9:55 PM

Share

ইংরেজি ভাষার ইতিহাস অনুযায়ী, পঞ্চম শতকে রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর জার্মানির অ্যাঙ্গেলস এবং নেদারল্যান্ডসের স্যাক্সনরা ব্রিটেনে বসতি স্থাপন করেন। তাঁদের ভাষার প্রভাবে জন্ম নেয় অ্যাংলো-স্যাক্সন বা ওল্ড ইংলিশ। ‘Angles’ শব্দ থেকেই পরে ‘Angle-land’ এবং সেখান থেকে বর্তমান ‘England’ নামের উৎপত্তি। গবেষকদের মতে, ওল্ড ইংলিশের সঙ্গে আধুনিক ইংরেজির খুব কম মিল রয়েছে। জার্মান ও লাতিন ভাষার প্রভাব ছিল অত্যন্ত বেশি। অনুবাদ ছাড়া আজকের ইংরেজিভাষী মানুষের পক্ষে এই ভাষা বোঝা প্রায় অসম্ভব।

ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করল একটি প্রাচীন কবিতার সন্ধান। Caedmon’s Hymn বা ‘ক্যাডমনের স্তোত্র’ নামে পরিচিত এই কবিতাকে এখন পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে প্রাচীন ইংরেজি কবিতা বলে মনে করছেন গবেষকরা। তাঁদের দাবি, এই আবিষ্কার ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশের ইতিহাসকে অন্তত দু’শো বছর পিছিয়ে দিতে পারে। কবিতাটির নামকরণ হয়েছে ক্যাডমন নামে এক কৃষকের নাম অনুসারে। পরে তিনি গির্জার সঙ্গে যুক্ত হন। কবিতাটিতে সৃষ্টিকর্তার মহিমা, তাঁর শক্তি এবং পৃথিবী ও আকাশ সৃষ্টির বর্ণনা রয়েছে। এটি অ্যাংলো-স্যাক্সন বা ওল্ড ইংলিশ ভাষায় রচিত।

ইংরেজি ভাষার ইতিহাস অনুযায়ী, পঞ্চম শতকে রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর জার্মানির অ্যাঙ্গেলস এবং নেদারল্যান্ডসের স্যাক্সনরা ব্রিটেনে বসতি স্থাপন করেন। তাঁদের ভাষার প্রভাবে জন্ম নেয় অ্যাংলো-স্যাক্সন বা ওল্ড ইংলিশ। ‘Angles’ শব্দ থেকেই পরে ‘Angle-land’ এবং সেখান থেকে বর্তমান ‘England’ নামের উৎপত্তি। গবেষকদের মতে, ওল্ড ইংলিশের সঙ্গে আধুনিক ইংরেজির খুব কম মিল রয়েছে। জার্মান ও লাতিন ভাষার প্রভাব ছিল অত্যন্ত বেশি। অনুবাদ ছাড়া আজকের ইংরেজিভাষী মানুষের পক্ষে এই ভাষা বোঝা প্রায় অসম্ভব।

এতদিন পর্যন্ত ইংরেজি সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে একাদশ শতাব্দীর মহাকাব্য Beowulf-কে গুরুত্ব দেওয়া হত। এর প্রায় ৩০০ বছর পরে, ১৩৮৭ সালে, রচনা করেন Canterbury Tales, যা মিডল ইংলিশ ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম। পরে এবং -এর হাত ধরে আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের বিকাশ ঘটে।

তবে Caedmon’s Hymn এই ধারার সব পরিচিত সাহিত্যকর্মের চেয়েও পুরনো। গবেষকদের দাবি, কবিতাটি নবম শতাব্দীর।

রোমের ঐতিহাসিক -এ সংরক্ষিত প্রাচীন পাণ্ডুলিপিগুলি বর্তমানে ডিজিটাইজ করা হচ্ছে। সেই কাজের অংশ হিসেবে নবম শতকে লেখা Ecclesiastical History of the English People নামের একটি পাণ্ডুলিপির ডিজিটাল সংস্করণ নিয়ে গবেষণা করছিলেন -এর গবেষকরা। পাণ্ডুলিপির পাঠোদ্ধারের সময় তাঁরা ওল্ড ইংলিশ ভাষায় লেখা Caedmon’s Hymn খুঁজে পান। আরও বিস্ময়ের বিষয়, প্রথমে গদ্য বলে মনে হলেও পরে দেখা যায়, এটি আসলে পদ্য রচনা।

এই আবিষ্কার ইংরেজি ভাষার বিবর্তন নিয়ে কাজ করা গবেষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। তাঁদের মতে, কবিতাটি প্রমাণ করছে যে ব্রিটেনে মুখের ভাষা হিসেবে লাতিনের পরিবর্তে ওল্ড ইংলিশের ব্যবহার শুরু হয়েছিল এতদিন যা মনে করা হত, তারও অনেক আগে। গবেষকদের ধারণা, রোমের লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত অন্যান্য পাণ্ডুলিপির বিশদ অনুসন্ধান চালালে ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও ভাষাতাত্ত্বিক নিদর্শনের সন্ধান মিলতে পারে।

Follow Us