রাস্তা না নদী, দেখে বোঝার জো নেই, পুজোর মুখে শুধুই হতাশা গোঘাটে

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Sep 28, 2026 | 9:52 PM

ক্রমশ বাড়ছে বন্যার জল। ইতিমধ্যেই গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঢুকে পড়েছে জল। বন্যার কবলে পড়ে একতলা ছেড়ে অনেকেই এখন দোতলায় আশ্রয় নিয়েছেন। আবার কেউ একতলার ছাদে ত্রিপল টাঙিয়ে সেখানেই বসবাস করছেন।সেখানেই রান্নাবান্নার ব্যবস্থাও করতে হচ্ছে। স্কুলেও জল ঢুকেছে। সবমিলিয়ে বন্যায় বিপর্যস্ত হুগলির গোঘাট। বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই গ্রামের একমাত্র দুর্গাপুজো ঘিরে অনিশ্চয়তা। প্যান্ডেলের বাঁশ বাঁধার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও প্যান্ডেলটি এখন বন্যার জলের তলায়। ফলে আর কয়েকদিন পরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো কীভাবে হবে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা। গ্রামের পিচ রাস্তার ওপরেও কোমর সমান বন্যার জল উঠেছে। পুজো উদ্যোক্তা ও গ্রামবাসীদের দাবি, এলাকার জল নামতে আরও ২০-৩০ দিন সময় লাগতে পারে।

ক্রমশ বাড়ছে বন্যার জল। ইতিমধ্যেই গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঢুকে পড়েছে জল। বন্যার কবলে পড়ে একতলা ছেড়ে অনেকেই এখন দোতলায় আশ্রয় নিয়েছেন। আবার কেউ একতলার ছাদে ত্রিপল টাঙিয়ে সেখানেই বসবাস করছেন।সেখানেই রান্নাবান্নার ব্যবস্থাও করতে হচ্ছে। স্কুলেও জল ঢুকেছে। সবমিলিয়ে বন্যায় বিপর্যস্ত হুগলির গোঘাট।

বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই গ্রামের একমাত্র দুর্গাপুজো ঘিরে অনিশ্চয়তা। প্যান্ডেলের বাঁশ বাঁধার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও প্যান্ডেলটি এখন বন্যার জলের তলায়। ফলে আর কয়েকদিন পরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো কীভাবে হবে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা। গ্রামের পিচ রাস্তার ওপরেও কোমর সমান বন্যার জল উঠেছে। পুজো উদ্যোক্তা ও গ্রামবাসীদের দাবি, এলাকার জল নামতে আরও ২০-৩০ দিন সময় লাগতে পারে।

Follow Us
Loading...
Unable to load recommendations.