AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

PM CARES Fund-এ ৮,৪৫২ কোটি, খরচ জানেন? অডিট রিপোর্ট ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক

PM CARES Fund-এ ৮,৪৫২ কোটি, খরচ জানেন? অডিট রিপোর্ট ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক

TV9 Bangla Digital

| Edited By: Purvi Ghosh

Updated on: Aug 20, 2026 | 7:51 PM

Share

২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে পিএম কেয়ার্স ফান্ডে মোট জমার পরিমাণ ৮ হাজার ৪৫২ কোটি টাকার কিছু বেশি। এর মধ্যে ফিক্সড ডিপোজিটে রয়েছে ৭ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা। সম্প্রতি প্রকাশিত ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের অডিট রিপোর্ট সামনে আসতেই ফের রাজনৈতিক চর্চায় ফিরেছে পিএম কেয়ার্স ফান্ড। বিশেষ করে, বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা থাকা সত্ত্বেও ২০২৪-২৫ সালে মাত্র ৮৭ লক্ষ টাকা খরচ হওয়া নিয়েই প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস, সিপিএম-সহ বিজেপি বিরোধী একাধিক দল। অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে পিএম কেয়ার্স ফান্ডের অ্যাকাউন্টে ছিল ৭ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা। পরের অর্থবর্ষে সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৮ হাজার ৪৫২ কোটি টাকার কিছু বেশি। কিন্তু ২০২৪-২৫ সালে খরচ হয়েছে মাত্র ৮৭ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ, জমার তুলনায় খরচের পরিমাণ অত্যন্ত কম। কেন এত বিপুল অর্থ থাকা সত্ত্বেও এত কম টাকা খরচ হল, সেই প্রশ্নই এখন রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে।

২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে পিএম কেয়ার্স ফান্ডে মোট জমার পরিমাণ ৮ হাজার ৪৫২ কোটি টাকার কিছু বেশি। এর মধ্যে ফিক্সড ডিপোজিটে রয়েছে ৭ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা। সম্প্রতি প্রকাশিত ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের অডিট রিপোর্ট সামনে আসতেই ফের রাজনৈতিক চর্চায় ফিরেছে পিএম কেয়ার্স ফান্ড। বিশেষ করে, বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা থাকা সত্ত্বেও ২০২৪-২৫ সালে মাত্র ৮৭ লক্ষ টাকা খরচ হওয়া নিয়েই প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস, সিপিএম-সহ বিজেপি বিরোধী একাধিক দল।

অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে পিএম কেয়ার্স ফান্ডের অ্যাকাউন্টে ছিল ৭ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা। পরের অর্থবর্ষে সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৮ হাজার ৪৫২ কোটি টাকার কিছু বেশি। কিন্তু ২০২৪-২৫ সালে খরচ হয়েছে মাত্র ৮৭ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ, জমার তুলনায় খরচের পরিমাণ অত্যন্ত কম। কেন এত বিপুল অর্থ থাকা সত্ত্বেও এত কম টাকা খরচ হল, সেই প্রশ্নই এখন রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে।

বিরোধীদের পাশাপাশি সদ্য গঠিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ও এই ইস্যুতে সরব হয়েছে। তাদের দাবি, পিএম কেয়ার্স ফান্ডের অর্থ ব্যবহার করে দেশের কয়েক লক্ষ প্রাথমিক স্কুলের পরিকাঠামোর উন্নতি করা হোক। এই দাবিতে সংগঠনটি সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করতে পারে বলে জানিয়েছে।

প্রশ্ন উঠছে, অ্যাকাউন্টে যখন ৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ রয়েছে, তখন মাত্র ৮৭ লক্ষ টাকা খরচ করার প্রয়োজন বা যুক্তি কী? দেশের হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং কমিউনিটি হেলথ সেন্টারগুলির পরিকাঠামোর সব সমস্যা মিটে গিয়েছে, এমনটা নয়। কোথাও অতিরিক্ত চিকিৎসক প্রয়োজন হতে পারে, কোথাও আবার প্রয়োজন হতে পারে নতুন চিকিৎসা সরঞ্জাম। তাহলে পিএম কেয়ার্সের মতো একটি ফান্ড থেকে এত কম অর্থ খরচ করা হচ্ছে কেন, সেই প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা।

২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির সময় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো শক্তিশালী করা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পিএম কেয়ার্স ফান্ড তৈরি করা হয়েছিল। দেশের সাধারণ মানুষ এই ফান্ডে অনুদান দিয়েছেন। সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং বিভিন্ন কর্পোরেটও Corporate Social Responsibility বা CSR-এর আওতায় পিএম কেয়ার্সে অর্থ দিয়েছে। ফলে এই ফান্ডের অর্থ কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে, তা নিয়ে জবাবদিহি থাকা প্রয়োজন বলেই দাবি বিরোধীদের।

তবে কেন্দ্রের তরফেও রয়েছে পাল্টা যুক্তি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে পিএম কেয়ার্স থেকে অনুদানের জন্য মোট সাতটি আবেদন এসেছিল। তার মধ্যে তিনটি প্রকল্পের জন্য ৮৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। অর্থাৎ, অর্থ খরচের পরিমাণ কম হলেও তা নির্দিষ্ট প্রকল্পের ভিত্তিতেই বরাদ্দ হয়েছে বলে কেন্দ্রের বক্তব্য।

কোভিডের সময় অবশ্য পিএম কেয়ার্স ফান্ড থেকে ২০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল। ভেন্টিলেটর কেনা থেকে শুরু করে ভ্যাকসিন এবং কোভিড মোকাবিলার বিভিন্ন কাজে রাজ্য প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে সেই অর্থ ব্যবহার করা হয়েছিল।

কেন্দ্রের বক্তব্য, পিএম কেয়ার্সে জমা থাকা অর্থ জনগণের জন্যই ব্যবহার করা হবে। জরুরি প্রয়োজন বা হঠাৎ কোনও বড় বিপর্যয় দেখা দিলে যাতে দ্রুত অর্থ ব্যবহার করা যায়, সেই কারণেই ফান্ডের টাকা সুরক্ষিত রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি, ফান্ডে থাকা অর্থের উপর প্রতি বছর সুদও যোগ হচ্ছে।

অর্থাৎ, একদিকে বিপুল অর্থ জমা থাকা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক অর্থবর্ষে মাত্র ৮৭ লক্ষ টাকা খরচ হওয়া নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্ন, অন্যদিকে কেন্দ্রের যুক্তি—জরুরি পরিস্থিতির জন্য অর্থ সুরক্ষিত রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করা হবে। পিএম কেয়ার্সের অডিট রিপোর্ট ঘিরে এখন এই দুই যুক্তিই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। শেষ পর্যন্ত কোন যুক্তি বেশি গ্রহণযোগ্য, তা অবশ্য ঠিক করবেন সাধারণ মানুষই।

Published on: Aug 20, 2026 07:50 PM

Follow Us