এ ভাবেই বাংলার এই স্কুলে যেতে হয়! দেখুন ছবিটা
স্কুল আছে, পড়ুয়াও আছে। কিন্তু সমস্যা স্কুলে যাতায়াত নিয়ে। স্কুলের সামনের মাঠের উপর দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু এক পশলা বৃষ্টি হলেই জল জমে যায় সেই মাঠে। বর্ষাতে এই সমস্যা আরও বাড়ে। বাধ্য হয়ে অনেক পড়ুয়াকে ভেলায় চাপিয়ে স্কুল ভবনে পৌঁছে দিতে হয়। ছোট, ছোট বাচ্চারা জলে পড়ে গেলে ফিরে যেতে হয় বাড়িতে। বয়সে বড় পড়ুয়ারা ভেলা টেনে পার করে দেয় ছোটদের। অভিভাবকরাও অনেক সময় পার করে দেন। আবার অনেক ছাত্রছাত্রী এক হাঁটু জল পেরিয়ে স্কুলে পৌঁছায়। এমনই চিত্র দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মথুরাপুরের তেঁতুলবেড়িয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। স্কুল ভবনের সামনের মাঠে জল জমে থাকায় স্কুলে আসতে চায় না পড়ুয়ারা। অভিভাবকরা এসে ভয়ে ভয়ে স্কুলে দিয়ে যায় ছাত্র-ছাত্রীদের। স্কুল ভবনটিও জরাজীর্ণ। একাংশ ভেঙে পড়েছে। পানীয় জলের নলকূপও খারাপ। এসব কিছু দেখে পড়ুয়ারাও যেন ছন্দহীন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা শতাধিক এবং শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা ৫ জন। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন চেয়ে সরব হয়েছেন অভিভাবক থেকে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা। স্কুলের এই অবস্থার কথা সর্বত্র জানিয়েও কোন কাজ হয়নি। ফলে পড়ুয়া কমেছে। স্কুল ভবন ভেঙে পড়ায় স্কুলের একটি কক্ষে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হয়। সমস্যা গত ৮ বছর ধরে। কিন্তু এভাবে আর কতদিন এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে অভিভাবক এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যে।
স্কুল আছে, পড়ুয়াও আছে। কিন্তু সমস্যা স্কুলে যাতায়াত নিয়ে। স্কুলের সামনের মাঠের উপর দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু এক পশলা বৃষ্টি হলেই জল জমে যায় সেই মাঠে। বর্ষাতে এই সমস্যা আরও বাড়ে। বাধ্য হয়ে অনেক পড়ুয়াকে ভেলায় চাপিয়ে স্কুল ভবনে পৌঁছে দিতে হয়। ছোট, ছোট বাচ্চারা জলে পড়ে গেলে ফিরে যেতে হয় বাড়িতে। বয়সে বড় পড়ুয়ারা ভেলা টেনে পার করে দেয় ছোটদের। অভিভাবকরাও অনেক সময় পার করে দেন। আবার অনেক ছাত্রছাত্রী এক হাঁটু জল পেরিয়ে স্কুলে পৌঁছায়। এমনই চিত্র দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মথুরাপুরের তেঁতুলবেড়িয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।
স্কুল ভবনের সামনের মাঠে জল জমে থাকায় স্কুলে আসতে চায় না পড়ুয়ারা। অভিভাবকরা এসে ভয়ে ভয়ে স্কুলে দিয়ে যায় ছাত্র-ছাত্রীদের। স্কুল ভবনটিও জরাজীর্ণ। একাংশ ভেঙে পড়েছে। পানীয় জলের নলকূপও খারাপ। এসব কিছু দেখে পড়ুয়ারাও যেন ছন্দহীন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা শতাধিক এবং শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা ৫ জন। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন চেয়ে সরব হয়েছেন অভিভাবক থেকে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা। স্কুলের এই অবস্থার কথা সর্বত্র জানিয়েও কোন কাজ হয়নি। ফলে পড়ুয়া কমেছে। স্কুল ভবন ভেঙে পড়ায় স্কুলের একটি কক্ষে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হয়। সমস্যা গত ৮ বছর ধরে। কিন্তু এভাবে আর কতদিন এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে অভিভাবক এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যে।
