Donald Trump: চিনের উপহার চিনেই ফেলে এসেছেন ট্রাম্প! কেন?
চিন সফর শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। দাবি করা হয়েছিল, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও অন্যান্য চিনা আধিকারিকদের দেওয়া উপহার বেজিংয়েই ফেলে রেখে দেশে ফিরেছেন ট্রাম্প ও তাঁর প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তবে পরে জানা যায়, সেই দাবি সঠিক নয় এবং ভাইরাল হওয়া ছবিগুলিও ভুয়ো। সূত্রের দাবি, শি জিনপিংয়ের দেওয়া উপহার সঙ্গে নিয়েই আমেরিকায় ফিরেছেন ট্রাম্প। অন্য উপহারগুলি আপাতত বেইজিংয়ে মার্কিন দূতাবাসের ভাড়া করা একটি আবাসনে রাখা রয়েছে। নিরাপত্তা পরীক্ষা সম্পূর্ণ হওয়ার পর সেগুলি আমেরিকায় পাঠানো হবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে আড়াই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে।
চিন সফর শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। দাবি করা হয়েছিল, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও অন্যান্য চিনা আধিকারিকদের দেওয়া উপহার বেজিংয়েই ফেলে রেখে দেশে ফিরেছেন ট্রাম্প ও তাঁর প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তবে পরে জানা যায়, সেই দাবি সঠিক নয় এবং ভাইরাল হওয়া ছবিগুলিও ভুয়ো। সূত্রের দাবি, শি জিনপিংয়ের দেওয়া উপহার সঙ্গে নিয়েই আমেরিকায় ফিরেছেন ট্রাম্প। অন্য উপহারগুলি আপাতত বেইজিংয়ে মার্কিন দূতাবাসের ভাড়া করা একটি আবাসনে রাখা রয়েছে। নিরাপত্তা পরীক্ষা সম্পূর্ণ হওয়ার পর সেগুলি আমেরিকায় পাঠানো হবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে আড়াই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির আশঙ্কা, উপহারের আড়ালে কোনও ধরনের অডিও বা ভিডিও নজরদারি যন্ত্র আমেরিকায় ঢুকে পড়তে পারে। তাই প্রতিটি সামগ্রী খুঁটিয়ে পরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই আমেরিকায় সামনে এসেছে আরও বড় এক গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ। ক্যালিফোর্নিয়ার আরকাডিয়া শহরের মেয়র Eileen Wang-কে চিনের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ১১ মে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর থেকে তাঁকে জেরা করছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা CIA ও FBI। তদন্তকারীদের দাবি, আরকাডিয়া শহরকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে একটি গুপ্তচরচক্র সক্রিয় ছিল। এফবিআই ডিরেক্টর Kash Patel জানিয়েছেন, তদন্তে এমন কিছু তথ্য উঠে এসেছে যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর দাবি, অভিযুক্তদের মাধ্যমে চিনা ভাষায় প্রচারপত্র ছাপানো, ভুয়ো সরকারি নথি তৈরি, জাল চিঠিপত্র ছড়ানোসহ একাধিক কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে।
তদন্তকারীদের আশঙ্কা, আরকাডিয়া ও ক্যালিফোর্নিয়ার কিছু প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত নথিও চিনের হাতে পৌঁছে যেতে পারে। আরও কী কী তথ্য ফাঁস হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, একটি গোপন বার্তা পাঠানোর সময় ভুল করায় প্রথমবারের মতো সন্দেহের উদ্রেক হয়। সেই সূত্র ধরেই তদন্তকারীরা এই চক্রের খোঁজ পান। পরে ধাপে ধাপে উঠে আসে মেয়রের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
মার্কিন গোয়েন্দা মহলের একাংশের মতে, এত গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে বিদেশি শক্তির হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগ অত্যন্ত বিরল ঘটনা। ইতিহাসে এমন নজির খুব কম রয়েছে। এই ঘটনার ফলে মার্কিন নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ব্যক্তি জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরও বিষয়টি নজরে না আসায় সমালোচনা বাড়ছে। ইরান যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যুতে চাপের মুখে থাকা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এই ঘটনা নতুন অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে।

