
বাঁকুড়া: বছর চারেক আগে বর্ষার প্রবল জলস্রোতে ভেঙেছিল সেতুর একাধিক স্তম্ভ। বিপজ্জনকভাবে ঝুলে পড়েছিল সেতুর মাঝের অংশ। আর সেই সেতু দিয়েই নিতান্ত বাধ্য হয়ে চলছিল প্রায় ৫০টি গ্রামের ঝুঁকির যাতায়াত। রাজ্যে পালাবদল হতেই এবার সেই সেতু নতুন করে তৈরির উদ্যোগ নিল সরকার। জেলাশাসককে সঙ্গে নিয়ে ভাঙা সেতু পরিদর্শন করলেন এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের সমবায় ও বন দফতরের প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামি। সরকারের উদ্যোগে এবার আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন প্রায় ৫০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।
বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের রামপুর থেকে পখন্না, সাবগ্রাম, কোটালপুর, ধুলাই, পিয়ারবেড়া, বীরসিংহপুর সহ প্রায় ৫০ টি গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তার উপর শালী নদীর উপর রয়েছে একটি সেতু। বছর চারেক আগে বর্ষায় শালী নদীর প্রবল জলস্রোতে সেই সেতুর একাধিক স্তম্ভ বসে যায়। বিপজ্জনভাবে ঝুলে পড়ে সেতুর মাঝের অংশ। সেই সময় তড়িঘড়ি ভেঙে পড়ার সেতু পরিদর্শন করে দ্রুত সেতু নির্মাণের আশ্বাস দেন তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা। কিন্তু তারপরেও লাভের লাভ কিছু হয়নি। অগত্যা ৩০ কিলোমিটার ঘুরপথ এড়াতে বিপজ্জনক সেই সেতুর উপর দিয়েই নিত্যদিন যাতায়াত করতে বাধ্য হন এলাকার কৃষিজীবী মানুষ থেকে স্কুল কলেজের পড়ুয়ারা।
সম্প্রতি রাজ্যে পালাবদলের পর রাজ্যের সমবায় ও বন দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান এলাকার বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। দায়িত্ব পেতেই বাঁকুড়ার জেলা শাসককে সঙ্গে নিয়ে ওই ভগ্নপ্রায় বিপজ্জনক সেতু পরিদর্শন করে দ্রুত নতুন সেতু তৈরির ব্যপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন। এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রীর এহেন উদ্যোগে এবার আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন সোনামুখী ব্লকের ওই ৫০ টি গ্রামের কয়ের হাজার মানুষ।