
বাঁকুড়া: সারা রাজ্যের নিরিখে ১২৫ দিনের কাজের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে বাঁকুড়া জেলা। কিন্তু এখনও বহু গ্রাম পঞ্চায়েতে শুরুই হয়নি কাজ। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাঁকুড়া জেলার ১৯০ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে মাত্র ৭৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতে চালু করা গিয়েছে ১২৫ দিনের প্রকল্পের কাজ। কিন্তু কেন এখনও এত বিপুল সংখ্যক পঞ্চায়েতে শুরু হয়নি কাজ? প্রশ্ন ঘুরছে।
প্রসঙ্গত, বাঁকুড়া জেলার ১৯০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের অধিকাংশই রয়েছে তৃণমূলের দখলে। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলের দখলে থাকা বেশ কিছু গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ইস্তফা দেন। একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। অন্যান্য গ্রাম পঞ্চায়েতেও অনিয়মিত হয়ে পড়েছে প্রধান ও উপপ্রধানদের যাতায়াত।
পঞ্চায়েত মন্ত্রীর দাবি, এই কারণেই মার খাচ্ছে ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজ। বাঁকুড়া ১ নম্বর ব্লকের জগদল্লা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে এখনও শুরু হয়নি প্রকল্পের কাজ। কেন সেই কাজ শুরু হয়নি তা জানতে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে গেলে দেখা যায় এক অন্য ছবি। ঘড়ির কাঁটা ১২টা ১৫ পেরিয়ে গেলেও পঞ্চায়েতের প্রধান কল্পনা মণ্ডল ও উপপ্রধান অনিল মণ্ডলের চেয়ার তখনও ফাঁকা। কর্মীদের দাবি তাঁরা অন্যান্য দিন নিয়মিত এলেও আবহাওয়া প্রতিকূল হওয়ায় এদিন তখনও এসে পৌঁছাননি তাঁরা।
এলাকার জবকার্ড ধারীরা অবশ্য বলছেন অন্য কথা। তাঁদের দাবি, পালাবদলের পরে গ্রাম পঞ্চায়েতে কর্তাদের যাতায়াত অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। ফলে প্রকল্পের কাজের জন্য হত্যে দিয়ে পড়ে থেকেও মিলছে না প্রকল্পের কাজ। পঞ্চায়েত কর্মীদের দাবি, ওই প্রকল্পের কাজের জন্য নথিপত্র তৈরি করতে বেশ কিছুটা সময় লাগছে। সে জন্যই কাজ শুরু করা যায়নি।