Bongaon Councillor: ‘ভরদুপুরে ঘরের মধ্যে মহিলা এনে…’, কাউন্সিলরের বাড়িতেই মদ সহযোগে মধুচক্র! ঘাড় ধরে গাড়িতে তুলল পুলিশ

TMC Councillor: কাউন্সিলর স্বীকার করেছেন যে ওটা তাঁরই বাড়ি। তাঁর দাবি, ওই দুই মহিলা শান্তিপুর থেকে তাঁর বাড়িতে ঘর ভাড়া নিতে এসেছিলেন। মধুচক্র চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। অভিযোগ খতিয়ে দেখছে বনগাঁ থানার পুলিশ। নাগেরবাজারেও উঠেছে একই অভিযোগ।

Bongaon Councillor: ভরদুপুরে ঘরের মধ্যে মহিলা এনে..., কাউন্সিলরের বাড়িতেই মদ সহযোগে মধুচক্র! ঘাড় ধরে গাড়িতে তুলল পুলিশ
আটক হওয়া কাউন্সিলরImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

May 19, 2026 | 9:19 AM

বনগাঁ: কোথাও তোলাবাজি, কোথাও হুমকির অভিযোগে একাধিক কাউন্সিলর গ্রেফতার হয়েছেন সম্প্রতি। এবার বনগাঁয় উঠল আরও একটা বড় অভিযোগ। খোদ কাউন্সিলরের বাড়িতেই দিনের পর দিন মধুচক্র চলছিল বলে অভিযোগ। তৃণমূল কাউন্সিলরকে আটকে রেখে পুলিশের হাতে তুলে দিল এলাকাবাসী। ভরদুপুরে কাউন্সিলরের ঘরের মধ্যে দুই মহিলাকে দেখা যায়, এক ব্যক্তি সেখানে মদ্যপান করছিলেন বলেও অভিযোগ।

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানার কালুপুর পাঁচপোতা এলাকার ঘটনা। তৃণমূল কাউন্সিলর ছাড়া আরও এক যুবককে আটকে রেখে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। গ্রামবাসীদের দাবি, ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মধুচক্র চালাচ্ছিলেন বনগাঁ পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুকুমার রায়।

ভরদুপুরে কী চলছিল ঘরের ভিতরে?

এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাইরে থেকে মহিলা ও পুরুষদের নিয়ে এসে ওই বাড়িতে মধুচক্র চালাচ্ছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর। সোমবার দুপুরেও একই ঘটনা ঘটে। বিষয়টা নিয়ে প্রথমে সতর্ক করেন এলাকার লোকজন। কিন্তু কাউন্সিলর কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ। কিছু সময় পরে তাঁরা বাড়িতে ঢুকে দেখেন মহিলাদের নিয়ে মদ্যপান করছেন কাউন্সিলর ও দুই যুবক।

মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁরা জানতে পারেন, মহিলাদের বাড়ি নদিয়া জেলার শান্তিপুরে। কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ হওয়াতেই তাঁরা এসেছেন। পরবর্তীতে তাদের বাড়িতে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। দুই মহিলা, কাউন্সিলর ও আরও এক যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “কাউন্সিলর প্রায়ই বাইরে থেকে লোক নিয়ে আসছিলেন। মহিলারাও আসছিলেন। মধ্যরাত অবধি পার্টি চলত। দেখলাম দুজন মহিলা ও এক পুরুষ ঘরের মধ্যে বসেছিলেন। মদ্যপান চলছিল।”

কী বলছেন কাউন্সিলর?

অন্যদিকে, কাউন্সিলর স্বীকার করেছেন যে ওটা তাঁরই বাড়ি। তাঁর দাবি, ওই দুই মহিলা শান্তিপুর থেকে তাঁর বাড়িতে ঘর ভাড়া নিতে এসেছিলেন। মধুচক্র চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। অভিযোগ খতিয়ে দেখছে বনগাঁ থানার পুলিশ।

এদিকে, আটক হওয়া যুবক জানান, কাউন্সিলর তাঁর কাকা হন। কাকার সঙ্গে মাঝে মাঝে ওই বাড়িতে সময় কাটাতে যেতেন তিনি। সেখানেই দুপুরে একটু মদ্যপান করছিলেন।

বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিকাশ ঘোষ বলেন, “এলাকাবাসীর কাছ থেকে শুনলাম তৃণমূলের এই কাউন্সিলর মধুচক্র চালাচ্ছিলেন। পুলিশ খবর পেয়ে কাউন্সিলর ও দুই মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ সত্যি হলে পুলিশ আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেবে।”

নাগেরবাজারেও মধুচক্র চালানোর অভিযোগ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

স্পা-এর আড়ালে দেহ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে দমদমের নাগেরবাজারে। ১০ জনেরও বেশি মহিলা পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে সোমবার। অভিযোগ, দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে একটি বাড়িতে চলছিল দেহ ব্যবসা। সেই খবর পেয়ে স্থানীয় মানুষজন বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন সোমবার। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নাগেরবাজার থানার পুলিশ। সেখান থেকে মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্থানীয় কাউন্সিলর দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সাগরেদদের মদতে চলত এই দেহ ব্যবসা।

Follow Us