Super Specialty Hospital: বজ্র-আঁটুনি ফস্কা গেরো, হাসপাতাল থেকে উধাও মৃতদেহ! নিরাপত্তারক্ষীদের একটাই কথা, ‘কিছুই বলতে পারব না’

Siuri: হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে ভর্তি করার সময় ওই রোগীর নাম জানানো হয় অজয় সিং। বাবার নাম ভল্লা সিং। বাড়ি পান্ডবেশ্বর। এদিন বেলা ১১.২০ নাগাদ তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি করে কিছু লোকজন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

Super Specialty Hospital: বজ্র-আঁটুনি ফস্কা গেরো, হাসপাতাল থেকে উধাও মৃতদেহ! নিরাপত্তারক্ষীদের একটাই কথা, ‘কিছুই বলতে পারব না’
চাপানউতোর হাসপাতাল চত্বরে Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 14, 2026 | 6:45 PM

সিউড়ি: সিউড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে বজ্র-আঁটুনি ফস্কা গেরো। হাসপাতাল থেকেই উধাও মৃতদেহ। কিন্তু কে বা কারা এই কাজ করল সেই খবর করাও কাছে নেই। প্রশ্ন হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীদের ভূমিকা নিয়ে। হাসপাতালের অ্যাক্টিং সুপার ডাঃ সুব্রত গঁড়াই যদিও জানিয়েছেন কাদের গাফিলতি খতিয়ে দেখা হবে। কিন্তু হাসপাতালের ভিতরে থাকা দেহ লোপাট হয়ে যায় কী করে তা নিয়ে চাপানউতোর থামছে না। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে ভর্তি করার সময় ওই রোগীর নাম জানানো হয় অজয় সিং। বাবার নাম ভল্লা সিং। বাড়ি পান্ডবেশ্বর। এদিন বেলা ১১.২০ নাগাদ তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি করে কিছু লোকজন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। মিনিট দশেকের মধ্যেই ওই রোগীর মৃত্যু বয়। এমনকী মৃত্য়ুর পর লিফটে করে তাঁর দেহ নামানোও হয়। কিন্তু তারপর দেহ কোথায় গেল তা কেউ বলতে পারছেন না। যাঁরা নিয়ে গেল তাঁরা কী মৃতের পরিচিত নাকি অন্য কেউ? উত্তর মিলছে না। 

খবর চাউর হতেই রীতিমতো শোরগোল শুরু হয়ে যায় হাসপাতালে। হাসপাতালে আসা অন্যান্য রোগীর আত্মীয়রাও বলছেন, নিরাপত্তা আরও জোরদার করা দরকার। কে কোথা থেকে আসছে, কে নিয়ে যাচ্ছে সব রেকর্ডই তো থাকা দরকার। আর এক রোগীর আত্মীয় দীপঙ্কর দত্ত বলছেন, “এত সিকিউরিটির মধ্যে দিনেরবেলা যদি এই কাণ্ড ঘটে যায় তাহলে দায় কে নেবে! সিসিটিভি-তেও তো কিছু ধরা পড়ছে না। আমাদেরও রোগী এখানে ভর্তি আছে। আচমকা যদি অন্য রোগীরাও উধাও হয়ে যায় তাহলে আমরা কাকে বলব?” অন্যদিকে এ ঘটনায় নিরাপত্তা রক্ষীরাও কিছুই বলতে চাননি। একজনকে প্রশ্ন করা হলে উল্টে তিনি বলেন, “আমি ডিউটিতে ছিলাম না। কে ডিউটিতে ছিল কিছুই বলতে পারব না।”