
বীরভূম: আজ রাজ্যে দুটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন। মুর্শিদাবাদের রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন চলছে। মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ হচ্ছে নির্বাচন। সেখান থেকে অল্প বিস্তর অভিযোগ উঠছে বটে, কিন্তু বীরভূমের রামপুরহাট-২ ব্লকের তারাপীঠ থানা এলাকার বুধিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন ঘিরে হয়ে গেল ধুন্ধুমারকাণ্ড। হল ব্যাপক বোমাবাজিও।
বুধিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের দিন ছিল মঙ্গলবার। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ায়। অনাস্থা প্রক্রিয়ার পর মঙ্গলবার নতুন প্রধান গঠনের দিন ধার্য হওয়ায় সকাল থেকেই এলাকা মুড়ে ফেলা হয় কড়া পুলিশি নিরাপত্তায়।
২৪ আসনের এই পঞ্চায়েতে বিজেপির ৯ জন সদস্য রয়েছেন এবং বাকি ১৫টি আসন তৃণমূল, কংগ্রেস ও নির্দলদের দখলে। বিজেপির জেলা নেতৃত্বের অভিযোগ, নতুন বোর্ড গঠন আটকানো ও বিরোধীদের ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে সকালে এলাকায় পরপর অন্তত ৬টি বোমা ছোড়া হয়।
গেরুয়া শিবিরের দাবি, সৃষ্ট চরম আতঙ্কের কারণে তাঁদের দলের মহিলা সদস্যরা পঞ্চায়েত ভবনে পৌঁছতেই পারেননি। বিরোধীদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে একতরফাভাবে প্রধান গঠনের প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে সুর চড়িয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।
হাসনের বিধায়ক কাজল শেখ বলেন, “বুধিগ্রাম পঞ্চায়েতের সংখ্যাগরিষ্ঠই তৃণমূল। তাহলে তৃণমূলের বোমাবাজি করার কোনও কারণ রয়েছে বলে মনে করি না।” বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বলেন, “তৃণমূল বোমাবাজির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। গায়ের জোরে পঞ্চায়েত দখল করতে চাইছে।”