বীরভূম: নতুন অনুব্রতের খোঁজ মিলল তাঁরই গড়ে। বোলপুর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সঙ্গীতা দাস। তাঁরই স্বামী বাবু দাস। বাবুর ‘অ্যাটিটিউড’ অবিকল অনুব্রত মণ্ডল। কাঁধ ঝাঁকিয়ে, ভ্রু নাচিয়ে কখনও বলছেন বিরোধীদের পাচন দিতে, কখনও আবার ফোনে কাকে যেন বলছেন, ‘পিটিয়ে বার করে দাও। সিপিএম, বিজেপি রেখো না।’ ক্যামেরা চলছে, তাতে থোড়াই কেয়ার! বাবু একেবারে ‘কেষ্টদা’।
গুড় বাতাসা নিয়ে বাবুর ব্যাখ্যা, “গুড় বাতাসা গ্রাম্য ট্র্যাডিশন। ভোট চলছে, গ্রাম্য এলাকা। গ্রামের মানুষ বাইরে থেকে এলে গুড় বাতাসা খাওয়ায়। আমাদের বুথগুলো অনেক দূরে দূরে। হেঁটে আসছেন মানুষ। রোদে গরমে আসছেন তাই জল গুড় বাতাসা খাওয়ানো হচ্ছে।”
এই অবধি ব্যাখ্যা তো ঠিকই ছিল, এরপরই বাবুর সংযোজন, “গুড় বাতাসা এবং জল যেই পেটে পড়ছে সঙ্গে সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের কথা মনে পড়ছে। ঝটাঝট ১ নম্বর বোতাম টিপে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে ভোট পড়ছে।”
আর পিটিয়ে বার করে দেওয়ার যুক্তিটা? বাবুর কথায়, “বাড়িতে গরু থাকলে গরু বারবার ধেয়ে এলে তাকে কী আদর করবে? নাকি পাচনটা এনে দু’বারি দিয়ে সাইড করবে। এরকম কোনও কোনও বুথে দু’একটা মারকুটে গরু লাফালাফি করছে, এই সিপিএম, বিজেপি তাদেরই বলছি পাচন বের করে বারি দিয়ে বুথ থেকে তাড়াও। উন্নয়নে ভোট করাও।”
লক্ষ্মীরভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, সবুজসাথীর মতো উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে, বলছেন এই নয়া ‘অনুব্রত’ও। বলছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাস্তা করে দিয়েছেন, রাস্তায় আলো এনে দিয়েছেন, তাহলে রাস্তায়ই তো উন্নয়ন দাঁড়িয়ে?” বললেন, অনুব্রত মণ্ডল নেই তো কী, তিনি মনেপ্রাণে আছেন। তাঁর ট্র্যাডিশনেই ভোট চলছে।
বীরভূম: নতুন অনুব্রতের খোঁজ মিলল তাঁরই গড়ে। বোলপুর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সঙ্গীতা দাস। তাঁরই স্বামী বাবু দাস। বাবুর ‘অ্যাটিটিউড’ অবিকল অনুব্রত মণ্ডল। কাঁধ ঝাঁকিয়ে, ভ্রু নাচিয়ে কখনও বলছেন বিরোধীদের পাচন দিতে, কখনও আবার ফোনে কাকে যেন বলছেন, ‘পিটিয়ে বার করে দাও। সিপিএম, বিজেপি রেখো না।’ ক্যামেরা চলছে, তাতে থোড়াই কেয়ার! বাবু একেবারে ‘কেষ্টদা’।
গুড় বাতাসা নিয়ে বাবুর ব্যাখ্যা, “গুড় বাতাসা গ্রাম্য ট্র্যাডিশন। ভোট চলছে, গ্রাম্য এলাকা। গ্রামের মানুষ বাইরে থেকে এলে গুড় বাতাসা খাওয়ায়। আমাদের বুথগুলো অনেক দূরে দূরে। হেঁটে আসছেন মানুষ। রোদে গরমে আসছেন তাই জল গুড় বাতাসা খাওয়ানো হচ্ছে।”
এই অবধি ব্যাখ্যা তো ঠিকই ছিল, এরপরই বাবুর সংযোজন, “গুড় বাতাসা এবং জল যেই পেটে পড়ছে সঙ্গে সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের কথা মনে পড়ছে। ঝটাঝট ১ নম্বর বোতাম টিপে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে ভোট পড়ছে।”
আর পিটিয়ে বার করে দেওয়ার যুক্তিটা? বাবুর কথায়, “বাড়িতে গরু থাকলে গরু বারবার ধেয়ে এলে তাকে কী আদর করবে? নাকি পাচনটা এনে দু’বারি দিয়ে সাইড করবে। এরকম কোনও কোনও বুথে দু’একটা মারকুটে গরু লাফালাফি করছে, এই সিপিএম, বিজেপি তাদেরই বলছি পাচন বের করে বারি দিয়ে বুথ থেকে তাড়াও। উন্নয়নে ভোট করাও।”
লক্ষ্মীরভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, সবুজসাথীর মতো উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে, বলছেন এই নয়া ‘অনুব্রত’ও। বলছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাস্তা করে দিয়েছেন, রাস্তায় আলো এনে দিয়েছেন, তাহলে রাস্তায়ই তো উন্নয়ন দাঁড়িয়ে?” বললেন, অনুব্রত মণ্ডল নেই তো কী, তিনি মনেপ্রাণে আছেন। তাঁর ট্র্যাডিশনেই ভোট চলছে।