
বোলপুর: মামলা করেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলকে। তিহাড় জেলে রাত কাটচ্ছেন বীরভূমের একসময়ের ‘বেতাজ বাদশা।’ যাঁর নামে বাঘে-গরুতে এক ঘাটে জল খেত, তিনি আজ গরু পাচার মামলায় জেলে বন্দি। কিন্তু ঘাসফুল শিবির তাঁকে ভোলেনি। লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের তাঁর নাম দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মুখে। কয়েকদিন আগেই দলের সাংগঠনিক বৈঠকে সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, অনুব্রতকে ভুললে চলবে না। এবার বীরভূমের তৃণমূল নেতৃত্বকে আরও একবার অনুব্রতর কথা মনে করিয়ে দিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী।
আগামী ১০ মার্চ ব্রিগেডে তৃণমূলের জনগর্জন সভা আছে, তারই প্রস্তুতি সভা ছিল বীরভূমে। সোমবার সেই সভায় উপস্থিত হয়ে সুব্রত বক্সী শুরুতেই বলেন, “এই জেলায় এলে সবার আগে যার নাম মনে পড়ে, সে হল কেষ্ট মণ্ডল (অনুব্রত মণ্ডল)। দীর্ঘদিনের সংগ্রামের সাথী। অফুরন্ত সাংগঠনিক শক্তি।” এরপর কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা সবাই তাঁকে চেনেন-জানেন। তবে আমি একটু বেশিই চিনি। ওঁকে খুব ভালোবাসি। আজ যে এখানে আমরা একত্রিত হয়েছি, মনে রাখবেন আমাদের মাথার উপর কেষ্ট আছে।”
অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হওয়ার পর একটি সভায় গিয়ে মমতা বলেছিলেন, ‘অনুব্রত জেল থেকে বেরলে তাঁকে বীরের সম্মান দিতে হবে।’ লোকসভা ভোটের আগে ফের সে কথা শোনা যায় তাঁর মুখে। সম্প্রতি কালীঘাটের এক দলীয় বৈঠকে মমতা কর্মীদের বলেন, অনুব্রতকে ভুললে চলবে না। জেল থেকে বেরলে অনুব্রতকে যোগ্য সম্মান দিতে হবে। তাঁর তৈরি করা সংগঠন যেন কেউ ভুলে না যায়, সেই বার্তাও দিয়েছিলেন মমতা।