Santiniketan: চরম অশান্তি শান্তিনিকেতনে, রূপান্তরকামীদের অধিকার রক্ষার সভার আয়োজন SFI-এর, স্লোগানিং ঘিরে সেখানেই হাতাহাতি ABVP ও SFI-এর

মূলত, ২০১৯ সালের রূপান্তরকামীরদের জন্য আনা বিল সংশোধন করে ২০২৬ সালের ৩০ শে মার্চ রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আইনে পরিণত করার উদ্দেশ্যে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছিল এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে।

Santiniketan: চরম অশান্তি শান্তিনিকেতনে, রূপান্তরকামীদের অধিকার রক্ষার সভার আয়োজন SFI-এর, স্লোগানিং ঘিরে সেখানেই হাতাহাতি ABVP ও SFI-এর
তপ্ত শান্তিনিকেতনImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Mar 31, 2026 | 10:07 PM

শান্তিনিকেতন: বীরভূমের শান্তিনিকেতনে এসএফআই, এবিভিপি-র মধ্যে হাতাহাতি। তুমুল উত্তেজনা শান্তিনিকেতনে। মূলত, ২০১৯ সালের রূপান্তরকামীরদের জন্য আনা বিল সংশোধন করে ২০২৬ সালের ৩০ শে মার্চ রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আইনে পরিণত করার উদ্দেশ্যে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছিল এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে। শান্তিনিকেতনের রামকিঙ্কর মঞ্চে এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। তারপরই স্লোগানিং ও সাউটিং নিয়ে বাধে বিতর্ক। এরপর শুরু হয় দু’পক্ষের হাতাহাতি।

জানা যাচ্ছে, যেখানে এসএফআই সভা করছিল, তার পাশেই এবিভিপি একটি কর্মসূচির আয়োজন হয়েছিল আজ। কর্মসূচি শেষে গ্রুপ ফটো তোলার জন্য একসঙ্গে জড়ো হয় এবিভিপির সমস্ত সদস্যরা। সেখানে তারা ভারত মাতার জয় এবং বন্দেমাতরম স্লোগান দেয়। এরপর উত্তেজনা ছড়ায়। এবিভিপির অভিযোগ, কেন ভারত মাতার জয় এবং বন্দেমাতরম স্লোগান দেওয়া হবে এই নিয়ে এসএফআই এবং এবিভিপির মধ্যে শুরু হয় বাগ বিতন্ডা পরে হাতাহাতি। তবে পাল্টা এসএফআই বলছে, তাদের শান্তিপূর্ণ সভায় বাধা দিতেই এবিভিপি প্রথম হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় এবিভিপির একজন আহত হয়েছেন। শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ গিয়ে পরে পরিস্থিতির স্বাভাবিক করে।

এবিভিপি-র এক কর্মী বলেন, “এসএফআই সব সময়ই দেশবিরোধী কার্যকলাপ করে থাকে। ভারত মাতার জয়-বন্দে-মাতরম শুনলে তো ওদের রক্ত গরম হয়ে যায়। সেই কারণে ওদের জ্বলন হয়। এরপর ওদের কয়েকজন এখানে চলে আসে। ধস্তাধস্তি করে। আমাদের গায়ে হাত দিয়েছে। আমরা প্রতিরোধ করি। পরে বাধ্য হয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ এসেছে।”

এসএফআই-এর এক সদস্য বলেন, “রূপান্তরকামীদের অধিকারের জন্য লড়াই করছিলাম। সেই সভাতে ওরা এসে ঝামেলা শুরু করে। শান্তিপূর্ণ সভাতে হামলা করে। প্রথমে আমাদের মারে। শুধু তাই নয় হাত-পা ধরে টানাটানি শুরু করে। এই সবের পরেও কর্মসূচি করি। শেষে মিছিল করি।”

Follow Us