
শিলিগুড়ি: এক সরকারি বার্তা ঘিরে শোরগোল পড়ে যায় শিক্ষা মহলে। ছাত্রশূন্য স্কুলের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা দেওয়া হয় জেলাশাসকদের। রাজ্য সরকারের সেই সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ঘিরে চর্চা শুরু হয় বিরোধীদের মধ্যে। যে তথ্য সামনে এসেছে, তাতে প্রশ্ন উঠেছে, ৪,১৩৩টি স্কুল কি বন্ধ করে দেওয়া হবে? এবার সেই বিভ্রান্তি কাটালেন রাজ্যের স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন।
পড়ুয়াশূন্য ৪,১৩৩টি স্কুল বিল্ডিংগুলি ফেলে না রেখে বিকল্প কাজে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানা যায়। প্রয়োজনে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলেও ওই স্কুলগুলি চালানো হতে পারে বলেও শোনা যায়। জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাশাসকরা এই বিষয়ে কাজ শুরু করেছেন। স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে কমিটি কাজ করবে। স্কুল বিল্ডিংগুলির পরিকাঠামো,অবস্থান-সহ একাধিক বিষয় যাচাই করে সেগুলি কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব পাঠাবে কমিটি।
এই ৪১৩৪ টি স্কুল যে সরকারি, সেই তথ্য নস্যাৎ করে দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এর মধ্যে মাত্র ৯০০টি সরকারি স্কুল আছে, যেগুলি ছাত্রশূন্য। সেগুলোকে নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। তবে পিপিপি মডেলে বিকল্প ব্যবস্থা করার আগে সেগুলি পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এই হিসেবের মধ্যে বেসরকারি স্কুলের হিসেবও ঢুকে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন।
দীপক বর্মন বলেন, “আপনারা যা বলছেন, সেগুলি সব সরকারি স্কুল নয়। বেশ কিছু বেসরকারি স্কুল আছে এর মধ্যে। নথিতে যথাযথ ফিল আপ করার হয়নি বলে এরকম একটি তথ্য সামনে এসেছে। আসলে ৯০০ টি স্কুল নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। এগুলি পূর্ব ঘোষিত বন্ধ স্কুল। আমরা এসে তুলে দিচ্ছি না ৬ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত ওই স্কুলগুলিতে ছাত্র নেই, শিক্ষকও নেই।”