
জলপাইগুড়ি: স্ত্রীকে খুনের অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিল আদালত। নতুন সরকারের আমলে সম্ভবত প্রথম মৃত্যুদণ্ড এটাই। স্ত্রীকে পরপুরুষের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার পরেও নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করল জলপাইগুড়ি জেলা আদালত।
ধূপগুড়িতে গৃহবধূর নৃশংস খুনে ফাঁসির সাজা দিল আদালত। চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি মাসে খুনের ঘটনাটি ঘটে। মাত্র ৯ মাসের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে সাজা দিল আদালত। একই সঙ্গে মৃত্যুণ্ডে দণ্ডিত আসামীর দুই নাবালক সন্তানের একুশ বছর পর্যন্ত দেখভালের দায়িত্ব জেলা প্রশাসন এবং ডিস্ট্রিক্ট লিগাল এইড ফোরাম-কে নেবার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক বিপ্লব রায়।
অভিযুক্ত শ্রীকান্ত রায়ের স্ত্রী পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে, যে ব্যক্তির সঙ্গে স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল, সেই যুবকের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীকে বিয়ে দেন শ্রীকান্ত। কিন্তু মনের ভিতরে রাগ পুষে রেখেছিলেন।
বিয়ে দেওয়ার দিন কয়েক পরে ওই যুবকের বাড়িতে চড়াও হয়ে, তাঁর প্রাক্তন স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করেন শ্রীকান্ত।এরপর ৯ মাস ধরে জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে মামলা চলে। বৃহস্পতিবার ফাঁসির সাজা ঘোষণা করেন বিচারক।
সরকারি আইনজীবী হায়দার আলী জানান, নৃশংসভাবে খুন করার জন্য মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়েছে।