
হুগলি: লোকসভা ভোটে রচনা বন্দ্যোপাধ্য়ায় জিতেছেন ঠিকই। কিন্তু তারপরও স্বস্তি নেই শাসকশিবিরে। ভোটের কাজ থেকে সরিয়ে রাখার অভিযোগ তুলে বাঁশবেড়িয়ার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধিদের ঘেরাও করে রাখা হয় প্রায় ১০ ঘণ্টা।
বাঁশবেড়িয়া পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধি অমিত ঘোষ। দলবল নিয়ে তিনিই এদিন পুরপ্রধান আদিত্য নিয়োগীর বিরুদ্ধে সরব হন। লোকসভা নির্বাচনে হুগলি কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় জয়ী হলেও চুঁচুড়া সপ্তগ্রাম এবং বলাগড় বিধানসভায় জিততে পারেননি।
সপ্তগ্রাম বিধানসভার বাঁশবেড়িয়া পুরসভার ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৯টিতে ১১ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছে তৃণমূল। ওয়ার্ডগুলিতে তৃণমূলের খারাপ ফলের জন্য পুরসভা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নেতৃত্বকে দায়ী করেন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অমিত ঘোষ।
অমিতের অভিযোগ, পুরসভা ভোটের পর থেকেই অমিত ঘোষকে নিষ্ক্রিয় করে রাখে দল। তাঁর থেকে ওয়ার্ড অফিসের চাবি নিয়ে নেন চেয়ারম্যান। ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পরিষেবা দেখাশোনার দায়িত্ব দেওয়া হয় ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে। এ নিয়ে অশান্তি চলছিলই। এদিন সেই অশান্তিই চরমে ওঠে।
পরে বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত ও জেলা সভাপতি অরিন্দম গুঁইনের হস্তক্ষেপে বিক্ষোভ ওঠে। অমিত ঘোষ বলেন, জেলা সভাপতি ও বিধায়ক এক সপ্তাহ সময় নিয়েছেন। আলোচনার মধ্যে সমস্যা মিটবে। আগামিদিনে সকলে মিলে কাজ করবেন বলেই জানান তিনি। অমিত ঘোষের বক্তব্য, নাগরিক পরিষেবা দিতে পারছিলেন না বলেই সরব হয়েছিলেন। বলেন, “আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক। তাঁদের নেতৃত্বে আমি সবরকমভাবেই দলের কাজ করব।”