Swati Khandoker: ‘সব বিধায়ককে এভাবেই তাড়াতে চাইছেন’, এবার কল্যাণের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক TMC বিধায়ক স্বাতী

Swati Khandoker Slams Kalyan Banerjee: স্বাতীর স্বামী প্রয়াত আকবর আলি খন্দকার শ্রীরামপুরের সাংসদ ছিলেন একসময়। সেই প্রসঙ্গ তুলে কল্যাণকে আক্রমণ করে স্বাতী বলেন, "এই শ্রীরামপুর আসনই ওনার দরকার। অপরের চাষ করা জমিতে দাঁড়িয়ে উনি হয়েছেন সাংসদ। উনার কী ক্ষমতা আছে? উনি এত কথা বলেন।"

Swati Khandoker: সব বিধায়ককে এভাবেই তাড়াতে চাইছেন, এবার কল্যাণের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক TMC বিধায়ক স্বাতী
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রমণের জবাবে কী বললেন স্বাতী খন্দকার?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jun 27, 2026 | 10:58 PM

চণ্ডীতলা: তৃণমূলে এখন কে মমতা–পন্থী আর কে ঋতব্রত-পন্থী তা নিয়ে কাটাছেঁড়া চলছে। এরই মধ্যে  শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন চণ্ডীতলার তৃণমূল বিধায়ক স্বাতী খন্দকার। শনিবার সমাজ মাধ্যমে এসে স্বাতী খন্দকার বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে আমি দীক্ষিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীকে আমি দাঁড়িয়ে চণ্ডীতলা বিধানসভায় জয়লাভ করি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই আমি আছি।” 

এদিন চুঁচুড়ায় তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠক ছিল। সেখানে আমন্ত্রণ পেয়েও না যাওয়ায় কল্যাণ নিশানা করেন চণ্ডীতলার বিধায়ককে। এই নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বাতী বলেন, “আজকে চুঁচুড়ায় সাংগঠনিক মিটিং ডাকা হয়। সেখানে আমাকেও ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু আমার পা ভাঙা থাকায় আমি যেতে পারিনি। উনি যা পারলেন তাই বললেন। আমার পরিবার কংগ্রেসের পরিবার। তাই আমি রাজনীতি বুঝি। আজকে উনি কী করে বলেন স্বাতী খন্দকার বেইমানি করেছে। যা বলার দিদি বলুক, ওনাকে বলতে হবে না।”

কল্যাণকে নিশানা স্বাতীর-

কল্যাণ নিশানা করে স্বাতী বলেন, “উনি দলকে কত ব্ল্যাকমেইল করেছেন, উনি নিজে জানেন না? আমার চণ্ডীতলাকে দু’ভাগ করেছে সুবীর মুখোপাধ্যায়কে দিয়ে। সুবীর মুখোপাধ্যায়কে ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন উনি। কেন তিনি নিজের ছেলেকে উত্তরপাড়ায় টিকিট দিয়েছেন? দিলীপ যাদব, সুবীর মুখোপাধ্যায় অনেকে ছিলেন, তাঁদের টিকিট দিলেন না কেন? নিজেরটি উনি খুব ভালো বোঝেন। চণ্ডীতলায় যেটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল হত, সেটা উনি শ্রীরামপুরে নিয়ে গিয়েছেন। উনি কোনওদিন চিঠি করেননি। উনি মনে করেন আমি যা পারব তাই বলব। আমি কাউকে ফোনে থ্রেট করিনি। আমি মিটিংয়ে আসার জন্য কাউকে কিছু বলিনি। উনাকে প্রমাণ দেখাতে হবে। উনি সারাজীবন নিজের ছাড়া কিছু বোঝেন না। উনিও ২০০৬ সালে হেরে গিয়েছিলেন।”

স্বাতীর স্বামী প্রয়াত আকবর আলি খন্দকার শ্রীরামপুরের সাংসদ ছিলেন একসময়। সেই প্রসঙ্গ তুলে কল্যাণকে আক্রমণ করে স্বাতী বলেন, “এই শ্রীরামপুর আসনই ওনার দরকার। অপরের চাষ করা জমিতে দাঁড়িয়ে উনি হয়েছেন সাংসদ। উনার কী ক্ষমতা আছে? উনি এত কথা বলেন। আমার পা ভেঙে গিয়েছে, ৪১ দিন হয়ে গিয়েছে, একটা সাংসদ ফোন করেনি। আমি দিদির বাড়িতে ফোন করেছিলাম। একুশে আমার ছেলেকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যা-তা কথা বলেছেন। উনি কোনওদিন ছাড়েননি, যা পারেন তাই বলেন।”

এখানেই না থেমে স্বাতী খন্দকার বলেন, “ওনার যে রাইট হ্যান্ড পাপ্পু, তিনি কেন পাঁচতলা হোটেলে গিয়ে মিটিং করতে গেলেন? আমাকে বলছে ঢুকতে দেব না। আমার বিধানসভায় আমি ঢুকব কি না ঢুকব, সেটা ওনাকে কৈফিয়ত দেব নাকি ? উনি নিজের সংসদীয় এলাকায় এসে মিটিং করুক, বড় বড় কথা চুঁচুড়ায় বললে হবে না। ওর জন্য এই সাংসদরা চলে গিয়েছেন। শুধুমাত্র অন্যায় কথার জন্য। সাংসদরা চলে গেলেন কেন ? উনি সব বিধায়ককে এভাবেই তাড়াতে চাইছেন। উনি আগে নিজে ঠিক হন, তারপর সবাইকে বিচার করবেন।”

Follow Us