Howrah: বস্তার ওপর ভন্ ভন্ করছিল মাছি, মুখ খুলতেই ‘জ্যেঠিমার’ হাত! ভয়ঙ্কর কাণ্ড হাওড়ায়

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তার ধারের নয়নজুলিতে একটি সন্দেহভাজন বড় বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন। মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় ভিড় জমে যায়। খবর দেওয়া হয় জগৎবল্লভপুর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তাটি খুলতেই তার ভিতর থেকে সুষমা দেবীর নিথর দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ তড়িঘড়ি দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।মৃতার পরিবারের সদস্যদের ওপরই সন্দেহের আঙুল তুলছেন প্রতিবেশীরা।

Howrah: বস্তার ওপর ভন্ ভন্ করছিল মাছি, মুখ খুলতেই জ্যেঠিমার হাত! ভয়ঙ্কর কাণ্ড হাওড়ায়
দেহ উদ্ধার করছে পুলিশ Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 12, 2026 | 4:53 PM

 হাওড়া: খালের পাশে পড়েছিল একটা বস্তা। এমনিতে খালের ধারে অনেক বস্তা পড়ে থাকে। তাই আর বিশেষ আমল দিচ্ছিলেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু ওই বস্তার ওপর মাছি ভন্ ভন্ করছিল। তাতেই সন্দেহ হয় কয়েকজনের। খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ গিয়ে ওই বস্তার মুখ খুলতেই চমকে ওঠেন সকলে। এ যে পাড়ারই ‘জ্যেঠিমা’! খুন করে বস্তায় ঢুকিয়ে বাড়ি থেকে একশো মিটার দূরে খালের ধারে ফেলে রাখা হয়েছে। কিন্তু কারা? প্রতিবেশীদের কানাঘুষোয় ছেলে ও বৌমাকে আটক করে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে মারঘুরালি দেরেপাড়া এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সুষমা দে (৫৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তার ধারের নয়নজুলিতে একটি সন্দেহভাজন বড় বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন। মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় ভিড় জমে যায়। খবর দেওয়া হয় জগৎবল্লভপুর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তাটি খুলতেই তার ভিতর থেকে সুষমা দেবীর নিথর দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ তড়িঘড়ি দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।মৃতার পরিবারের সদস্যদের ওপরই সন্দেহের আঙুল তুলছেন প্রতিবেশীরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই মহিলার সঙ্গে তাঁর ছেলে ও বৌমার পারিবারিক অশান্তি চলছিল। চাঞ্চল্যকর তথ্য এই যে, যে বস্তাটির ভিতর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, সেটি সাধারণত ওই মহিলার ছেলের গাড়ি ঢাকা দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হতো। জানা গিয়েছে, আজ সকালেই ওই মহিলার ছেলে জগৎবল্লভপুর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি  করেছিলেন। কিন্তু তার কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়ি থেকে সামান্য দূরেই দেহ উদ্ধার হওয়ায় রহস্য দানা বেঁধেছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক বিবাদের জেরে খুন করে প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহটি নয়নজুলিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। ছেলে ও বৌমাকে লাগাতর জেরা করছে পুলিশ।

এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “জ্যেঠিমার বাড়ির সবাইকেই আমরা চিনি। দীর্ঘদিনের বাসিন্দা। বাড়িতে চিৎকার চেঁচামেচি হত, অশান্তি হত, জানতাম। কিন্তু এরকম কিছু ঘটতে পারে, দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি।”

Follow Us