
হাওড়া: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত জগৎবল্লভপুরের চকশাহাদাত এলাকা। গতকাল রাতে দু দল গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভাঙচুর করা হয় তৃণমূলের পার্টি অফিসে। সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ১। এই ঘটনায় জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল সন্ধ্যায় জগৎবল্লভপুরের চকশাহাদাতে একটি স্থানীয় ক্লাবের মাঠে আলোর উদ্বোধন এবং ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন জগৎবল্লভপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রঞ্জন কুণ্ড। অভিযোগ, রঞ্জন কুণ্ডু যখন উপস্থিত ছিলেন সেই সময় ঘনিষ্ঠ লোকজন ওই এলাকার সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি শহিদুল মিদ্দের ওপর চড়াও হয় এবং তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। তাঁকে আহত অবস্থায় জগৎবল্লভপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এরপরই উত্তেজিত জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা তৃণমূলের একটি পার্টি অফিসে এসে ব্যানার এবং ফেস্টুন ছিড়ে রাস্তায় ফেলে দেন বলে অভিযোগ। জগৎবল্লভপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জুবেদা খাতুন অভিযোগ করেন, রঞ্জন এবং তার দলবল শহিদুলের ওপর হামলা চালায়। তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েতকে না জানিয়ে মাঠে আলো লাগান অথচ দীর্ঘদিন বলা সত্ত্বেও রাস্তায় আলো লাগাননি। তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েতকে অন্ধকারে রেখে কাজ করেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিরাট বাহিনী এবং RAF। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে রঞ্জন কুণ্ডু ফোনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “ওখানে সামাজিক অনুষ্ঠান হচ্ছিল। কোন রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ছিল না। তাই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নয়।” তিনি আরও দাবি করেন, তিনি যতক্ষণ ছিলেন কোন গন্ডগোল হয়নি। পরে কি হয়েছে তিনি জানেন না। জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ এই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে।