
জলপাইগুড়ি: পুলিশ আধিকারিক অমিতাভ মালিক খুনের মামলায় জামিন পেলেন মূল অভিযুক্ত বিমল গুরুং। কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তর ডিভিশন বেঞ্চ এদিন এই নির্দেশ দেন। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে তপ্ত হয়ে উঠেছিল পাহাড়। চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা তখন পাহাড়ের দিকে দিকে।
বিমলকে ধরতে তখন কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে পুলিশ। চলছে চিরুনি তল্লাশি। গোপন সূত্রে বিমলের খোঁজও এসে যায় পুলিশের কাছে। বিশাল পুলিশ বাহিনী হানা দেয় দার্জিলিংয়ের সদর থানা এলাকার এক গোপন ডেরায়। কিন্তু, অত সহজে পুলিশের হাতে আসেননি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার ওই দাপুটে নেতা।
শুরু হয়ে যায় গুলি বৃষ্টি। সেখানেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান পুলিশ আধিকারিক অমিতাভ মালিক। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বঙ্গ রাজনীতির অন্দরে বিস্তর চাপানউতোর শুরু হয়ে যায়। প্রশ্ন উঠতে থাকে পাহাড়ের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিয়ে। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। কিছুদিনের মধ্যেই তদন্তভার হাতে নেয় সিআইডি। ওই মামলায় মূল অভিযুক্ত ছিলেন বিমল গুরুং। তারপর থেকেই আদালতে চলছিল সওয়াল-জবাব। অবশেষে সেই মামলায় এদিন জামিন পেয়ে গেলেন বিমল। সহকারী সরকারি আইনজীবী অদিতি শঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, “ওনার বিরুদ্ধে আরও অনেক কেস রয়েছে। তবে সরকার কিছু কেস তুলে নিয়েছে। এই কেসটা সিআইডি দেখছিল। সেটারই আজ শুনানি হয়। মূল অভিযোগ ছাড়াও তারমধ্যে এই কেসটায় সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগ ছিল, অস্ত্র আইনেও মামলা হয়েছিল।”