
জলপাইগুড়ি: ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বৃদ্ধার কাটা মাথার খোঁজ মেলেনি। কাটা মুণ্ডর খোঁজে এবার ড্রোন ওড়াল পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মেয়েকে আটক করেছে পুলিশ। জলপাইগুড়ি বাহাদুর গ্রামপঞ্চায়েতের চেকড় চণ্ডী গ্রামে চাঞ্চল্য। শনিবার সামিজা খাতুন নামে বছর তিয়াত্তরের এক বৃদ্ধার মুন্ডুবিহীন দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সমিজা খাতুনের কাটা মুণ্ডের হদিশ না মেলায় গ্রামে আতঙ্ক কাটছে না।
রবিবার সকাল থেকে রহস্যজনকভাবে বাড়ি থেকে উধাও বৃদ্ধার এক জামাই আলামিন হাজরা ওরফে শ্যামল হাজরা। সকাল থেকে নিখোঁজ তিনি। তাঁকে না পেয়ে পুলিশ তাঁর স্ত্রী অর্থাৎ বৃদ্ধার মেয়ে হাসেনা খাতুনকে আটক করেছে বলে পুলিশ। যদিও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চায়নি পুলিশ। রবিবার সকাল থেকেইগোটা এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। কিন্তু মৃত বৃদ্ধার কাটা মাথা পাওয়া যায়নি। কাটা মুণ্ডর খোঁজে ড্রোনও ওড়ানো হয়।
শনিবার সকালে মাকে চা খাওয়ানোর জন্য ঘরে যায় সামিজার ছেলে ইউসুফ আলি। কিন্তু ঘরে মাকে না পেয়ে তিনি আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর বাড়ির পিছনের একটি ফাঁকা জায়গায় পড়ে থাকতে দেখা যায় সমিজা খাতুনের দেহ। মায়ের অবস্থা দেখে শিউরে ওঠেন তিনি। দেখা যায় গোটা দেহ পড়ে থাকলেও আশেপাশে মাথার কোনও চিহ্নই নেই। গোটা ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসীরা। একজন ৭৩ বছরের বৃদ্ধার ওপর কার এত আক্রোশ থাকতে পারে, এর পিছনে কোনও কালাজাদুর তত্ত্ব রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।