Jalpaiguri: সম্পত্তির লোভ, মাকে খুনের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

Jalpaiguri: জানা গিয়েছে, মৃত গীতা রানি সাহার স্বামী নির্মল সাহার বছর তিনেক আগে মৃত্যুর পর ওই বাড়িতে একাই থাকতেন বৃদ্ধা। এছাড়াও কখনো বৃদ্ধার শ্বশুড়বাড়ি কোচবিহার ও ছোট ছেলের বাড়ি শিলিগুড়ি থাকতেন।

Jalpaiguri: সম্পত্তির লোভ, মাকে খুনের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে
ময়নাগুড়িতে খুনImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Mar 16, 2026 | 8:28 PM

জলপাইগুড়ি: কোটি টাকার সম্পত্তি হাতাতে নিজের মাকে খুনের অভিযোগ। গুনধর পুত্রকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নিল পুলিশ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ময়নাগুড়িতে। মৃতের নাম গীতা রানি সাহা (৬২)। নিজের বাড়ির ঘরের মেঝেতে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার হয়। দেহে মাথা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মৃত দেহ উদ্ধারের সময় বৃদ্ধার বাড়ি বাইরে থেকে তালা বন্ধ ছিল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান ওই মহিলাকে তার কোটি টাকার বসত ভিটা নিয়ে বড় ছেলে সুশান্ত সাহার সঙ্গে বিবাদ সংক্রান্ত কারণে তাঁকে খুন হতে হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বড় ছেলেকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নিয়েছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ। একই সঙ্গে বাড়িটি সিল করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, মৃত গীতা রানি সাহার স্বামী নির্মল সাহার বছর তিনেক আগে মৃত্যুর পর ওই বাড়িতে একাই থাকতেন বৃদ্ধা। এছাড়াও কখনো বৃদ্ধার শ্বশুড়বাড়ি কোচবিহার ও ছোট ছেলের বাড়ি শিলিগুড়ি থাকতেন।

রবিবার দুপুর নাগাদ শিলিগুড়ি নিবাসী বৃদ্ধার ছোট ছেলে সুমন্ত সাহার সঙ্গে ফোনে কথা হয়। পরে বিকেল নাগাদ বৃদ্ধার বড় ছেলে সুশান্ত সাহা ওই বাড়িতে এসেছিলেন।
সন্ধ্যার পর মাকে দীর্ঘ সময় ধরে ফোনে না পেয়ে সন্দেহ হয় সুমন্তর। এরপর তিনি তাঁর ময়নাগুড়ির এক আত্মীয়কে খবর দেন। আত্নীয়রা বৃদ্ধার বাড়িতে এসে অনেক ডাকাডাকি করেও কোনও সারা না পাওয়ায় পরে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে তালা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে বৃদ্ধার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয়। শুরু হয় তদন্ত।

খুনের খবর পেয়ে আসেন ময়নাগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ঝুলন সান্যাল। তিনি বলেন, “ঝুলন দরজা ভাঙার পর ভিতর থেকে পুলিশ বৃদ্ধার রক্তক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এই ধরনের ঘটনা এই এলায় আগে ঘটেনি।” অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( গ্রামীণ) উত্তম ঘোষ বলেন, “সম্পত্তির বিবাদের কারনে খুন হয়েছে বলে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়ার আদালতে তোলা হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।”

 

Follow Us