
জলপাইগুড়ি: দীর্ঘ জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করলেন স্বপ্না বর্মন। তবে মনোনয়ন পর্বে তাঁর পাশে দেখা গেল না বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায়কে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন খগেশ্বর রায়। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোনে শান্ত হন তিনি। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বপ্না বর্মনের কমিশনের ক্লিয়ারেন্স জটিলতা শুরু হতেই দলের তরফে খগেশ্বর রায়কে মনোনয়ন সংক্রান্ত কাগজপত্র তৈরি করতে বলা হয়েছিল। গতকাল রাতে ক্লিয়ারেন্স আসায় খগেশ্বরের প্রার্থী হওয়ার আশায় জল পড়ে।
অন্যদিকে আজ এই তৃনমূল প্রার্থীর মনোনয়ন জমার গুরুত্বপূর্ণ দিনে খগেশ্বর রায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি খগেশ্বর রায়। মনোনয়ন জমা দিয়ে বেরিয়ে এসে স্বপ্না বর্মন আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন, “এগোতে গেলে লড়াই করতে হবে। আর আমার কাছে লড়াই নতুন কিছু নয়। ছোট থেকেই আমি লড়াই করেই জিতেছি। লড়াই করে জেতার আনন্দ আলাদা। আমার মাথায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ আছে।তাই জয় নিশ্চিত।”
এই বিষয়ে রাজগঞ্জ বিধানসভার কোর্ডিনেটর কৃষ্ণ দাস বলেন, “মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য পাঁচ জন লোকের দরকার খগেশ্বর সেখানে এসে কী করবে। উনি অভিষেকের সভা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।”
বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য শ্যাম প্রসাদ বলেন, “এটাই তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল।আর রাজগঞ্জে খগেশ্বর ভার্সেস কৃষ্ণ দাসের গোষ্ঠী কোন্দল সকলের জানা। তার উপর উনি প্রার্থী হতে পারলেন না। উনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ খতম হতে চলেছে।”