‘অসুবিধা হলে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন’, বিজেপি নেতার নাম কাটা পড়তেই খোঁচা তৃণমূলের

ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায় জলপাইগুড়ি জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার মানুষের নাম হয় বিচারাধীন, নয়ত ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আর সেই তালিকায় রয়ে গিয়েছে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তথা বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি শুভঙ্কর ঘোষ ওরফে পলেন ঘোষের নাম। আর এই ইস্যুতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

অসুবিধা হলে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, বিজেপি নেতার নাম কাটা পড়তেই খোঁচা তৃণমূলের
Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Mar 08, 2026 | 7:35 PM

জলপাইগুড়ি: চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ‘ডিলিট’ হয়ে গেল বিজেপি নেতার নাম। আর সেই ইস্যুতে ‘রোহিঙ্গা’ তকমা জুটল বিজেপি নেতার কপালে! নাম ডিলিট ইস্যুতে এবার প্রবল ট্রোলের মুখে পড়লেন বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তথা বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি পলেন ঘোষ।

রাজ্যে ঢুকে পড়েছে এক কোটির বেশি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী। এরাই তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক। গত এক বছরের বেশি সময় ধরে লাগাতার এই অভিযোগ করে আসছিলেন বিজেপি নেতারা। অভিযোগ আর পালটা অভিযোগ নিয়ে সরগরম হয় রাজ্য রাজনীতি। এরপর শুরু হয় এসআইআর পর্ব। এনুমারেশন ফর্ম বিলি এবং তা ফিল আপ করে জমা দেওয়া হয়। আসে প্রজেনি ম্যাপিং-এর প্রক্রিয়া। এরপর আসে ‘নো ম্যাপিং’-এর সমস্যা। তারপর প্রকাশিত হয় খসড়া ভোটার তালিকা।

খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায় ওই তালিকায় অনেকের নাম নেই। তাদের নামে নোটিসও যায়। চলে শুনানি। জলপাইগুড়ি জেলার প্রায় ২ লক্ষ ৭৫ হাজার মানুষকে লজিক্যাল হিয়ারিং সংক্রান্ত নোটিশ দেওয়া হয়। হিয়ারিং পর্ব মিটলে প্রকাশিত হয় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।

ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায় জলপাইগুড়ি জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার মানুষের নাম হয় বিচারাধীন, নয়ত ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আর সেই তালিকায় রয়ে গিয়েছে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তথা বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি শুভঙ্কর ঘোষ ওরফে পলেন ঘোষের নাম। আর এই ইস্যুতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

যুব তৃণমূল জেলা সভাপতি রামমোহন রায় বিজেপি নেতা পলেন ঘোষকে খোঁচা দিয়ে বলেন, “আপনারা কি এই এসআইআর চেয়েছিলেন?” তিনি কটাক্ষ করে আরও বলেন, যদি নাম তুলতে সমস্যা হয়, তবে যেন পলেন বাবু তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

অপরদিকে তৃণমূলের মন্তব্য প্রসঙ্গে যুব বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি পলেন ঘোষ বলেন, “আমাকে নিয়ে ট্রোল করার জন্য তৃণমূলকে ধন্যবাদ। কারণ ওঁরা আমাকে যেভাবে প্রচার করে দিলেন তাতে আমার নামের ব্যাপক প্রচার হল।” পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “এতদিন তৃণমূল বলে আসছিল বিজেপি নাম কেটে দিচ্ছে, তাই তৃণমূল নেতা রামমোহন রায় আমাকে প্রস্তাব দিয়েছেন যে তিনি আমার নাম তুলে দেবেন। যে নাম তুলতে পারে, সে নাম কাটতেও পারে। তাই ময়নাগুড়ি বিধানসভায় যাদের নাম কাটা গিয়েছে, তাদের নাম রামমোহন বাবুই কেটেছে।”

Follow Us