SIR: রঙিন ছবির রহস্য! ফাইনাল লিস্টের ২ লক্ষ নাম দেখে হতবাক সবাই, চিঠি দিল বিজেপি

রঙিন ছবির রহস্য নিয়ে গাজোলে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান উতোর। তৃণমূল পরিচালিত গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেনের কটাক্ষ, "নির্বাচন কমিশন তো বিজেপির সদর কার্যালয়ে পরিণত হয়েছে। তবু কেন ওই দলের বিধায়ক নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন?"

SIR: রঙিন ছবির রহস্য! ফাইনাল লিস্টের ২ লক্ষ নাম দেখে হতবাক সবাই, চিঠি দিল বিজেপি
Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Mar 07, 2026 | 2:52 PM

মালদহ: সদ্য প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ভোটারদের রঙিন ছবি! একজন-দু’জনের নয়, দু’লক্ষ ভোটারের রঙিন ছবি দেখা যাচ্ছে চূড়ান্ত তালিকায়। তা দেখে হতবাক বিজেপি নেতৃত্ব। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদহের গাজোলে। এসআইআরের কাজে নিযুক্ত জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এই নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। অনলাইনে আপলোড করা চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় কেন ঢালাও রঙিন ছবি, সেটা বুঝে উঠতে পারছে না গেরুয়া শিবিরের নেতারা।

বিষয়টি গোচরে আসতেই সরব হয়েছেন বিজেপি নেতারা। রঙিন ছবির রহস্য জানতে চেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে বিজেপির তরফে। সেই চিঠিতে মালদহের জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনের কাছেও একই অভিযোগ জানানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের গাজোল বিধানসভা এলাকায়।

২০৬টি বুথেই সমস্ত ভোটারের রঙিন ছবি আপলোড করা হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মণের দাবি, ভোটার তালিকায় ভোটারদের রঙিন ছবি থাকা বেআইনি। নির্বাচন কমিশনের আইনের পরিপন্থী। এদিন মালদহের গাজোলের বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মণ জানান, বিষয়টি নিয়ে দলেরই এক নেতা মধুসূদন কুণ্ডু জাতীয় ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনে নালিশ করেছেন।

বিধায়ক জানান, গাজোল বিধানসভা এলাকায় মোট ২৭৩টি বুথ রয়েছে। তার মধ্যে ২০৬টি বুথেই অনলাইনে প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ভোটারদের রঙিন ছবি রয়েছে। তিনি বলেন, “তালিকায় রঙিন ছবি আপলোড করার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের আইনের পরিপন্থী। কমিশনের নিয়ম অনুসারে ভোটার তালিকায় ভোটারদের রঙিন ছবি প্রকাশ করা যায় না। তবু কেন গাজোলে ঘটেছে এই ঘটনা? নেপথ্যে রহস্যই বা কী রয়েছে?” এ নিয়ে গাজোলের বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মণ স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সরব হন। বিধায়কের সন্দেহ, কোনও রাজনৈতিক স্বার্থেই স্থানীয় প্রশাসন এই নিয়মবহির্ভূত কাজটি করেছে।

রঙিন ছবির রহস্য নিয়ে গাজোলে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান উতোর। তৃণমূল পরিচালিত গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেনের কটাক্ষ, “নির্বাচন কমিশন তো বিজেপির সদর কার্যালয়ে পরিণত হয়েছে। তবু কেন ওই দলের বিধায়ক নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন? বিহারে যেভাবে কারসাজি করে ভোটে জিতেছে বিজেপি, পশ্চিমবঙ্গেও তাঁরা সেটা করার চেষ্টা করছেন। ইআরও, এআরও’দের পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন। এই নির্বাচন কমিশন বিজেপির সঙ্গে পুরোপুরি ভাবে যুক্ত রয়েছে। রঙিন ছবির রহস্যটা কি, সেটা বিজেপিই বলতে পারবে।”