
মালদহ: বাংলা- বিহার সীমান্তে যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার। মৃত যুবকের নাম আজমাল হোসেন। বয়স ২১। তাঁর বাড়ি মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের মালিওর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ তালশুর গ্রামে। মৃতের মোবাইলটি পাওয়া যাচ্ছে না। মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগ, খুন করা হয়েছে আজমালকে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে তারা।
জানা গিয়েছে, গতকাল (রবিবার) রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন আজমাল। বাড়ি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে বাংলা-বিহার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নোয়াপাড়া বাঁধ রোডের ধার থেকে সোমবার সাত সকালে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। শরীরে মারধরের একাধিক চিহ্ন রয়েছে। পরিবারের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুন। অভিযোগ, কেউ বা কারা যুবককে খুন করে দেহটি রাস্তার ধারে ফেলে দিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ যুবকের বাইক উদ্ধার করলেও এখনও পর্যন্ত মোবাইল উদ্ধার হয়নি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দু’ভাইয়ের মধ্যে আজমাল ছিলেন ছোট। গ্রামে এক লেদ কারখানায় কাজ করতেন।
রবিবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কথা বলে কারখানা মালিকের বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন আজমাল। রাতে আর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। সকালে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। যুবকের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।
এদিকে, মৃত যুবকের পরিবারের এক সদস্য অভিযোগ করেন, “মাথার পিছনে গভীর ক্ষত দেখেছি আমরা। মনে হচ্ছে রড দিয়ে মেরেছে। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় আঘাত রয়েছে। বাইকটি দেখলে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, এটা ভাঙা হয়েছে। আজমালের মোবাইলও পাওয়া যাচ্ছে। আর তা থেকেই আমাদের ধারণা, খুন করা হয়েছে। পুলিশ খুনিদের গ্রেফতার করে কঠোর সাজা দিক।”